‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ
আছে?
A.
জবা
B.
গোলাপ
C.
কৃষ্ণচূড়া
D.
পলাশ
সঠিক উত্তরঃ
C.
কৃষ্ণচূড়া
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছিলেন— আসাদুজ্জামান ড. শামসুজ্জোহাবরকতনিচের কোনটি সঠিক?
- "ওরা কারা বুনোদল ঢোকেঅস্ত্র হাতে নামে সান্ত্রী কাপুরুষকোটি মানুষের সমবায়ী সভ্যতার ভাষা এরা রদ করবেভাবে?”উদ্দীপকের 'বুনোদল', “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতায়কাদের প্রতিনিধি?
- তুমি তরুণ, তুমি অরুণ, জাতির ভাগ্যাকাশেতোমার' তাজা প্রাণের ছোঁয়ায় বাংলা ভাষা হাসেউনসত্তরের অভ্যুত্থানে তোমারই বুক পাতাতোমারই লাল রক্তে ভিজে এসেছে স্বাধীনতা।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে নির্দেশ করে তা তুলে ধরো।
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"শামসুর রাহমানের মতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষ তথাকথিত 'প্রভু'র বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করে?
- শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সালামের চোখ আজ কী?
- একুশের কৃষ্ণচূড়াকে কবি কোন রঙের সাথে মেলাতে চান?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে কী ঝরে?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু শিমুল এ আনন্দ আয়োজনের অংশী হতে পারছে না। বাল্যবন্ধু পলাশের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন তার মন।' গত বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বারবার তার মানসপটে ভেসে উঠছে। প্রিয় বন্ধুর বিয়োগ ব্যথা এভাবেই তাকে বর্তমান আনন্দ থেকেও বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে।'প্রিয়জনের বিয়োগব্যাথা অন্য সব আনন্দ আয়োজনকে ম্লান করে দেয়।'- উদ্দীপক ও তোমার পঠিত কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।বায়ান্নর শহিদরাই উনসত্তরের অভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল' উদ্দীপকের 'খ' অংশ ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নূরলদীনের সারা জীবন' কোন ধরনের রচনা ?
- পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। কারণ তিনি—
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- শহরের পথে থরে থরে কি ফুটেছে?
- 'সালামের মুখে আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'বাস্তবের বিশাল চত্বরে / হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়'- কী হয়?
- কবি শামসুর রহমান 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের চোখে কী দেখেছেন?
- একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- কেন?
- সালামের হাতে নক্ষত্রের মতো কী ঝরে?
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদেরচেতনারই রং।' পক্তিতে উল্লিখিত চেনতার প্রকৃতি—
- ঘাতকের থাবার সম্মুখে কে বুক পেতে দেয়?
- একটি পতাকার জন্য কত রক্ত চাই।একটি মানচিত্রের জন্য কত অশ্রু চাই।রক্তের বুদ্বুদ ওঠে বিষণ্ণ বাতাসেচির সবুজের দেশে আপ্লুত আমুদে।জলপাই রঙের ট্যাংক বেড়ায় দাপিয়ে,শহরে কী বন্দরে সময়-অসময়।গর্জে উঠেছে সন্তান ভয়হীন সপ্রাণ,বাহুতে কলিজা বেঁধে করেছে সংগ্রাম।"উদ্দীপকের কবি ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবি একই মন্ত্রে দীক্ষিত।" মন্তব্যটির সত্যতা বিচার করো।
- একুশ মানে চেতনায় শানিত ধারাএকুশ মানে মাথা নত না করা ।উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায় নিচের কোনচরণে ?
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’- কার কবিতা?
- ১৯৭১ সালে মাতৃভূমির জন্য অকাতরে জীবন বিসর্জন দেন মতিউর রহমান, মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরসহ লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। উদ্দীপকের ত্যাগী মানুষদের প্রতিচ্ছবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় যাদের নির্দেশ করে-সালাম বরকতদুঃখিনী মাতা নিচের কোনটি সঠিক?
- ‘সাম্যবাদী’, ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' ও ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাগুলো যথাক্রমে কোন কোন ছন্দে রচিত?
- 'কমলবন' শব্দটিকে কবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে থরে থরে কী ফুটেছে?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকের উক্ত দিকটির ক্ষেত্রে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার নির্দেশনা-পরিবর্তনমুখী চেতনাদেশানুরাগসম্মিলিত প্রয়াসনিচের কোনটি সঠিক?
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্হ কোনটি?
- ‘ফেব্রুয়ার?? ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রংকে কবিকীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
- কোন পঙক্তিটি ‘চিত্রকল্প' বা 'ইমেজ'-এর প্রকৃষ্টউদাহরণ?
- 'আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরেরপথে'— চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোনদিকটি তুলে ধরে?
- "শাবাশ বাংলাদেশএ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়জ্বলে পুড়ে মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন অংশের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।