একুশ মানে চেতনায় শানিত ধারা
একুশ মানে মাথা নত না করা ।
উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায় নিচের কোন
চরণে ?
A.
আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা ।
B.
আঠারো বছর বয়স যেন দুর্বার
পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান ।
C.
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি ।
D.
আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা।
সঠিক উত্তরঃ
D.
আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা।
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নির্ণয় কর।
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- কবি শামসুর রহমান কোন পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন?
- 'বাস্তবের, বিশাল চত্বরে, হৃদয়ের হরিৎ উপত্যাকায়'- কী হয়?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় বর্ণমালাকে কেস্যার সঙ্গে তুলনা করা হয়?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'"উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার খণ্ডাংশ প্রতিফলিত হয়েছে।"-মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- সালামের হাত থেকে কিসের মতাে অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে?
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং কি?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "ওরা কারা বুনোদল ঢোকেঅস্ত্র হাতে নামে সান্ত্রী কাপুরুষকোটি মানুষের সমবায়ী সভ্যতার ভাষা এরা রদ করবেভাবে?”উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবেরপ্রতিফলন ঘটেছে—পাকিস্তানিদের অপশাসনহানাদারদের বর্বরতাভাষার কণ্ঠরোধে বাঙালিদমননিচের কোনটি সঠিক?
- কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে-
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে কী ফুটেছিলো?
- বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধারশহিদের ক্ষুর লেগেকিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।উক্ত ভাবটি হলো-আত্মত্যাগআত্মজাগরণআত্ম অহমিকানিচের কোনটি সঠিক?
- 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কার রচনা?
- ' উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' কাব্যগ্রন্থটি কার রচন?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে- তারা-
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ' কবিতায় কতজন ভাষাশহীদের নাম উল্লেখ আছে?
- "চতুর্দিকে মানবিক বাগান,কমলবন হচ্ছে তছনছ" লাইনটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?