"ধান যার বসুন্ধরা তার " - উক্তিটি কার?
A. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
D. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তরঃ
C.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- পলাশির যুদ্ধ ফরাসিরা কেন নবাবের পক্ষ অবলম্বন করে?
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে।' উক্তিটি যে গদ্যের-
- 'অলঙ্কার' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- "মা গরিবের ঘরের মেয়ে; তাই আমরা যে ধনী এ কথা তিনিও ভোলেন না, আমাকেও ভুলতে দেন না" কোন রচনার অংশ?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
- কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?
- 'হরিশের সরস রসনার গুণ আছে।' এখানে 'রসনা' বলতে কোন বিষয়কে বোঝানো হয়েছে?
- স্বয়ংবরা শব্দের অর্থ কি?
- ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব অপমানে পরিণত হয়েছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের?
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।"-বিশ্লেষণ কর।
- 'এমন তো আর শুনি নাই' এ কথাটিতে 'অপরিচিতা' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- জ্বালিয়ে রেখেছি মনের প্রদীপআমার ডুলেডরা বাগানেতোমার ছোঁয়ায় ফুটুক ফুল,সান্ত্বনার আঙুলে দেখো পরগাছা আমারে ।উদ্দীপকে অনুপম চরিত্রের কোনটি রয়েছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- এ কেবল একটি মানুষের গলা'- একথা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'আহ্বান' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ কোনটি?
- ‘মুক্তধারা' রবীন্দ্রনাথের কোন ধরণের রচনা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্প কোনটি?
- জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম কী?
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- কোন ঘটনাকে 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষমুহূর্ত বলা যায়?
- ‘যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর মূল উৎপাটনেরতরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি নারীশিক্ষারব্যাপক উন্নতি ঘটাতে হবে।'উদ্দীপকের সামাজিক ব্যাধি 'অপরিচিতা' গল্পের কোনচরিত্রের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত গল্প কোনটি?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা কোনটি?
- তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না- তিনি বলতে অপরিচিতা গল্প?? কাকে বোঝানো হয়েছে?
- অনুপমের মামা সেকরাকে বিয়েবাড়িতে এনেছিল কেন?
- বিচক্ষণ বা যুক্তি সম্মত শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
- আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর প্রকাশিত শেষ কাব্য কোনটি?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।"সবিতার দেশপ্রেম কল্যাণীর মাতৃআজ্ঞার সাথে একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সব অবয়বে প্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?
- '
- কোন্নগরের অবস্থান কোথায়?
- 'দিবারাত্রির কাব্য' কী জাতীয় রচনা?