‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়াকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
A. বর্ণমালা
B. গণঅভ্যুত্থান
C. শহিদদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ
D. নক্ষত্র
সঠিক উত্তরঃ
C.
শহিদদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতায় কোন কোন কবির নাম বলা হয়েছে ?
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার প্রথম চরণ কোনটি ?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো কী ঝরছে?
- কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু শিমুল এ আনন্দ আয়োজনের অংশী হতে পারছে না। বাল্যবন্ধু পলাশের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন তার মন।' গত বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বারবার তার মানসপটে ভেসে উঠছে। প্রিয় বন্ধুর বিয়োগ ব্যথা এভাবেই তাকে বর্তমান আনন্দ থেকেও বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে।উদ্দীপকের শিমুলের অনুভূতি তোমার পঠিত কবিতার কোন চরিত্রের অনুভূতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- কোন পঙক্তিটি ‘চিত্রকল্প' বা 'ইমেজ'-এর প্রকৃষ্টউদাহরণ?
- 'এ রস্তের বিপরীত আছে অন্য রং'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- শহরের পথে থরে থরে কোন ফুল ফুটেছে?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- ‘প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা–
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবিরকাছে কেমন মনে হয়?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'— কারণ তিনি ছিলেন—
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ঘাতকের থাবার সম্মুখেবুক পাতে কে?
- ‘পাহাড়তলী’ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন-
- "শাবাশ বাংলাদেশএ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়জ্বলে পুড়ে মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন অংশের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন চেতনার মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'ঘাতকের অশুভ আস্তানা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- শহরের পথে থরে থরে কী ফুটেছে?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' 'কবিতার মূলভাব প্রকাশিত হয়েছে-
- 'এ-রঙের বিপরীতে আছে অন্য রং।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- সালামের হাত থেকে কিসের মতাে অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে?
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- ‘ফেব্রুয়ার?? ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রংকে কবিকীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
- কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু শিমুল এ আনন্দ আয়োজনের অংশী হতে পারছে না। বাল্যবন্ধু পলাশের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন তার মন।' গত বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বারবার তার মানসপটে ভেসে উঠছে। প্রিয় বন্ধুর বিয়োগ ব্যথা এভাবেই তাকে বর্তমান আনন্দ থেকেও বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে।'প্রিয়জনের বিয়োগব্যাথা অন্য সব আনন্দ আয়োজনকে ম্লান করে দেয়।'- উদ্দীপক ও তোমার পঠিত কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং কী?
- 'উপেক্ষায় ঋতুরাজে কোন কবি দাও তুমি ব্যথা?'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,'- বুঝিয়ে দাও।
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) "উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম চেতনার এক. অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।"- মন্তব্যটি তুমি স্বীকার কর কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কলেজের 'যেমন খুশিতেমন সাজ' অনুষ্ঠানে সজীব সেজেছে ভাস্কর্যরূপে তারসমস্ত শরীরে জড়ানো বাংলা বর্ণমালা।' কবিতায় বর্ণিত ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলা যায়-- তিনি ভাষাশহিদ তার চোখে আলোচিত ঢাকাতিনি রাজপথে নেমে এসেছেননিচের কোনটি সঠিক?
- সালামের মুখ আজ........শূন্যস্থানে হবে-
- শামসুর রাহমান রচিত 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'মানবিক বাগান' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- তুমি তরুণ, তুমি অরুণ, জাতির ভাগ্যাকাশেতোমার' তাজা প্রাণের ছোঁয়ায় বাংলা ভাষা হাসেউনসত্তরের অভ্যুত্থানে তোমারই বুক পাতাতোমারই লাল রক্তে ভিজে এসেছে স্বাধীনতা।'বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে তরুণদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।'- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- ব্যাখ্যা করো।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সাবিহা কালো পাড়েরসাদা শাড়িতে লাল রঙের সবগুলো বাংলা বর্ণমালাএঁকেছে। সাবিহার শাড়িতে আঁকা লাল বর্ণমালাযেন ভাষাশহিদদেরই কথা বলছে।উদ্দীপকের সাবিহার সাজ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯'কবিতায় বর্ণিত কোন ব্যক্তির কথা স্মরণকরিয়ে দেয়?
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।শ্রমিকদের প্রতিবাদী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯'কবিতার কোন ঘটনার ইঙ্গিত করে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- "এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট,"- কোন রঙে, কেন? ব্যাখ্যা কর।