কোনটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনপ্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Copsychus saularis
Explanation:

Another Explanation (5):
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি: দোয়েল 🐦
Copsychus saularis, যা সাধারণভাবে দোয়েল নামে পরিচিত, বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। এটি শুধু একটি পাখি নয়, এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।🕊️
বৈশিষ্ট্য
- বৈজ্ঞানিক নাম: Copsychus saularis 🔬
- আকার: প্রায় ১৯-২১ সেন্টিমিটার📏
- ওজন: ২৬-৩৫ গ্রাম⚖️
- বর্ণ: পুরুষ দোয়েলের শরীর সাধারণত কালো এবং পেট সাদা। স্ত্রী দোয়েলের পিঠের রং ধূসর। ???🤍
- স্বভাব: এটি সাধারণত লাজুক প্রকৃতির, তবে মানুষের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে।🏡
- গান: দোয়েলের মিষ্টি সুরেলা গান মুগ্ধ করার মতো।🎶
আবাসস্থল ও বিস্তার
দোয়েল মূলত দক্ষিণ এশিয়ার পাখি। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার এবং ইন্দোনেশিয়ার কিছু অংশে এদের দেখা যায়।🌳
খাদ্য
দোয়েল সাধারণত পোকামাকড়, ছোট ফল এবং বীজ খেয়ে থাকে।🐛🍎
সংরক্ষণ স্থিতি
IUCN এর মতে, দোয়েল Least Concern (ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত) তালিকাভুক্ত। তবে এদের আবাসস্থল রক্ষা করা জরুরি।⚠️
কেন জাতীয় পাখি? 🤔
দোয়েলকে জাতীয় পাখি হিসেবে ঘোষণার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে:
- এটি বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র দেখা যায়।🌏
- এর সুন্দর রূপ ও মিষ্টি গান মানুষের মন জয় করে।💖
- এটি আমাদের সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত।🎭
- দোয়েল পাখি সাহসিকতার প্রতীক।💪
দোয়েল সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য fun facts 🎉
- দোয়েল খুব সহজেই পোষ মানে। 🤗
- এরা গাছের কোটরে বাসা বানায়। 🏠
- পুরুষ দোয়েল স্ত্রী দোয়েলকে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন সুরে গান গায়। 🎤
তথ্য সংক্ষেপ 📊
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক নাম | Copsychus saularis |
| আবাসস্থল | দক্ষিণ এশিয়া |
| খাদ্য | পোকামাকড়, ফল, বীজ |
| IUCN স্থিতি | Least Concern |
আশা করি, এই তথ্যের মাধ্যমে দোয়েল পাখি সম্পর্কে আপনার ধারণা আরও স্পষ্ট হয়েছে।😊
Option A Explanation:
- নাম: Copsychus saularis
- পরিবার: সাইরাসিডি (Cisticolidae)
- বর্ণনা: এটি একটি ছোটো পাখি যা সাধারণত সান্দ্র গাছের ডালে দেখা যায়। এর পাখার রঙ সাধারণত কালো ও সাদা মিশ্রিত, এবং এটি খুবই কণ্ঠস্বল্প।
- প্রজনন: এই পাখি সাধারণত গাছে তাদের বাসস্থান তৈরি করে এবং একসাথে বসবাস করে।
- আবাস: মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি।
Option B Explanation:
- নাম: Gallus domestica
- অর্থ: এই পাখিটি সাধারণত ভেড়ার বা হাঁসের মতো হাঁসের পরিবারের সদস্য, যা মূলত পোলট্রি বা মুরগির জন্য পরিচিত।
- বিশেষত্ব: এটি বিশ্বের অনেক দেশে পালিত পাখি, যা মাংস ও ডিমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আবাস: সাধারণত খামার বা গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়, তবে প্রাকৃতিক পরিবেশে এর পাওয়া খুবই কম।
Option C Explanation:
- নাম: Bubo bubo
- প্রজাতি: বৃহ?? হোন্ডা পেঁচা
- পরিবার: বুবোইডি (Bubonidae)
- অঞ্চল: ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা
- বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ আকারে, গা dark ় বাদামী ও বাদামী রঙের পালক, বড় চোখ ও শক্তিশালী দন্ত
- অভ্যেস: নিশাচর, গুহা বা গাছের গুঁড়িতে বাস করে, শিকার করে ছোট স্তন্যপায়ী, পাখি ও সরীসৃপ
Option D Explanation:
- শিক্ষা ও পরিচিতি: Gallus gallus হলো প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পাখি নয়, তবে এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত "মূল" মুরগি বা দেশি হাঁসের জাত হিসেবে পরিচিত।
- বিশেষত্ব: এই পাখিটি মূলত খাদ্য ও কৃষি কাজে ব্যবহার হয় এবং তা মানুষের কাছে খুবই পরিচিত।
- বৈচিত্র্য ও প্রজনন: এটি বিভিন্ন রঙ ও জাতের হয়ে থাকে, তবে মূলত এর দেখানো বৈশিষ্ট্য হল এর লালচে বা বাদামী রঙের পালক।
Option E Explanation:
বর্ণনা: কোনোটিই নয়
- এটি একটি বিকল্প যা অন্য কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাস বা প্রকারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- অর্থাৎ, এটি অন্যান্য অপশনগুলির মতো কোনো গুল্ম, বৃক্ষ বা কাষ্ঠল বীরুৎ নয়।
- এই অপশনটি ব্যবহৃত হয় যখন প্রশ্নের উত্তরটি অন্য কোন নির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাসের মধ্যে পড়ে না বা তথ্য অপ্রতুল থাকলে।
- এটি সাধারণত অপশন হিসেবে দেওয়া হয় যেন প্রশ্নের উত্তর নির্দিষ্ট করতে না পারলে বা তথ্য অপ্রতুল থাকলে ব্যবহার করা হয়।