'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- হীরক রা??ার দর্শন হলো; যে যত জানে সে তত কম মানে। তাই স্কুল বন্ধ করে দেয়া হলো।
- ধলা মিয়া কার ভাই?
- আমেনা বিবি কে?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবানাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- ‘লালসালু’ উপন্যাস তানু বিবির স্বামীর নাম কী?
- নয়নপুর গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য জামালসকলকে একত্রিত করে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল আবেদআলী তার শোষণ অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাকে বাধাদেয়। এভাবে গ্রামে গণশিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায় । উদ্দীপকের জামাল ‘লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে ইঙ্গিত করে?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মানুষের অস্তিত্ব সংকট এবং তা হতে উত্তরণের প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়।"- বিচার কর।
- মাজারেরে পাশে দাঁড়িয়ে রহিমা কার জন্য শক্তি প্রার্থনা করে?
- মজিদ পীর সাহেবকে শয়তান আখ্যা দিল কেন?
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মিল হলো- পির সাহেব সূর্যকে ধরে রাখতে পারেনতিনি হুকুম না দিলে নামাজের সময় গড়ায় নাতিনি মুসলিমদের জান্নাত পাওয়ার ব্যবস্থা করেননিচের কোনটি সঠিক?
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না।উদ্দীপকের সোনাপুর এবং 'লালসালু' উপন্যাসেরমহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতারিত হওয়ার কারণ—অন্ধ ধর্মবিশ্বাসঅজ্ঞতা ও কুসংস্কারঅন্ধ ভাগ্যবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস?
- 'কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ'—বলার কারণ কী?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই পীর পাশাপাশি এলাকায় আস্তানা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেও কারো চেয়ে কম নয় নয়। কিন্তু দুজনেরই উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা এক হলেও একসময় পীরদ্বয় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্ব এবং মজিদ ও আওয়ালপুরের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্বের মুখ্য কারণ কী?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারীশিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েও গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখীশিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রকৃত প্রতিপাদ্য-