‘রুপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর’ কার রচনা?
A. চণ্ডিদাস
B. জ্ঞানদাস
C. বিদ্যাপতি
D. লোচনদাস
সঠিক উত্তরঃ
B.
জ্ঞানদাস
Explanation: চৈতন্য পরবর্তী বৈষ্ণব পদাবলীর কবি জ্ঞানদাস (ষোড়শ শতাব্দী) রচিত উক্ত পদটি কৃষ্ণানুরাগ বিষয়ক বিখ্যাত পদ। তার রচিত পদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য; মাধুর্য ও সূক্ষ্মতা একমাত্র চণ্ডীদাসের পদের সাথেই তুলনা হতে পারে। আক্ষেপানুরাগ, রূপানুরাগ ও মাথুরবিষয়ক পদ রচনায় তিনি অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন।
Related Questions (Any University/Year)
- সুজনের ছোটো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার চুরি করতে গিয়ে এক ভিক্ষুক মার খায়। পেটের দায়েই চুরি করেছে এ কথা বুঝতে পেরে আর চুরি না করার শর্তে সুজন তাকে ছেড়ে দেয় ।উদ্দীপকের সুজনের সঙ্গে ‘বিড়াল' রচনার কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'ধান ভানিতে শিবের গান' এর উল্লেখ আছে কোন রচনায়?
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি নিজেকে কোথাকার কবি বলেছেন?
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।উদ্দীপকের খালেদ ও অর্জুনের বর্ণনা পাঠ্যপুস্তকের 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন কোন প্রসঙ্গের কথা মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- 'হায়রে কিষাণ-তোদেরই শীর্ণ দেহ দেখে মোর অশ্রু মানে নাবুলবুলিতে ধান লুটে নেয়, তবু কেন ঘুম ভাঙে না।পৌষ পার্বণে গোলার ঘরে, শূন্য দেখে অশ্রু ঝরেশ্যামল গাঁয়ের মুখরতা, থেমে যে যায় অনাহারেএরা পিশাচ অনাহারী, ঘরে ঘরে ক্ষুধার তাড়না।উদ্দীপকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের সাদৃশ্য নিরুপণ করো।
- জরথুন্ত্রবাদের ধর্মগ্রন্থ “জেন্দা আবেস্তা” এখানে ‘জেন্দা' শব্দের অর্থ কি?
- "বিষাদ সিন্ধু" কার লেখা বই?
- ‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসের চলচ্চিত্র-রূপ কে দিয়েছিলেন?
- 'হস্তপদ থাকা সত্ত্বে ও পুত্তিলিকা অচেতন পদার্থ'। বাক্যটি রচনা করেছেন -
- “পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা আমার এ দেশ ভাইরে;ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো এমন কোথাও নাইরে।”উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—
- 'পশ্চাতে ফেলি গির্জা-প্যাগোডা মসজিদ-মন্দির এতদিনে আমি মুক্তিপথের সন্ধানী মুসাফির। তোমারে খুঁজিয়া পথে পথে ফিরি, কোথা আছ তুমি খোদা প্রেমিক তোমার তোমার হতে আর কতদিন রবে জুদা?'উদ্দীপকের 'তোমারে খোঁজা' এবং 'সাম্যবাদী' কবিতার 'তোমারে খোঁজা'র বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় কবির চেতনার পাখির রঙ কী?
- 'সবচেয়ে সুন্দর করুণ'-এখানে 'করুণ' বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন ?
- কোন ঔপন্যাসিক নিখোঁজ হয়েছিলেন?
- শামসুর রাহমানের জন্মাসাল হচ্ছে?
- 'আমাকে সেই অস্ত্র ফিরিয়ে দাও'— এখানে কবিকোন অস্ত্রে কথা বলেছেন?
- নীচের কোন জন কবি নন ?
- ’মানুষ মরে গেলে পচে যায। বেঁচে থাকলে বদলায়।’ সংলাপটি কার?
- বাংলায় অনুদিত ‘আলমুকাদ্দিমা' গ্রন্থটি কোন দেশের সমাজবিজ্ঞানীর লেখা?
- কমলাকান্ত কোন মামলার স্বাক্ষী?
- বেগম রোকেয়া কোন দুই দল লোককে অলস বলেছেন?
- ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- সকল লোকের মাঝে ব'সেআমার নিজের মুদ্রাদোষেআমি একা হতেছি আলাদা। উদ্দীপকের মুদ্রাদোষ 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোনপঙক্তিকে ধারণ করে ?
- 'সম্প্রতি পল্লিগ্রামের দুর্দশার প্রতি দেশবন্ধু নেতৃবৃন্দেরদৃষ্টি পড়িয়াছে' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- 'কলিমদ্দি দফাদার' গল্পের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে…………………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকে বর্ণিত কবির এই বাংলায় ফিরে আসার যে আকুলতা তার যথার্থ উত্তর বিধৃত হয়েছে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়- মন্তব্যটির পক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী শেখায়?
- টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, অপারেশন, ইনজেকশন ইত্যাদিকে যে সভ্যতার নিদর্শন বলে না সে রোকেয়া সাখাওয়াতহোসেন এর বিবেচনায়-
- ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি কার লেখা?
- কবির জন্মভূমির মতো এত সুন্দর ভূমি খুঁজে পাওয়া যাবে না কেন?
- কোনটি মুনীর চৌধুরীর রচনা?
- ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ দেশাত্মবোধক গানটির রচয়িতা কে?
- ‘সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি সাধক’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- 'শামলা' শব্দটি পাওয়া যায় কোন রচনায় ?
- ” তবে সেখানে গৃহিণীর না যাওয়াই ভাল।”- ‘অর্ধাঙ্গী’ রচনায় উল্লিখিত জায়গাটি-
- 'গাজী মিয়ার বস্তানী' বইয়ের লেখক কে?
- সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস ।' উক্তিটি কোন রচনার ?
- 'কারাগারের কোণে বসে অসহায় শিশুর মতো ক্রন্দন করলে হবে না' সংলাপটি কার?
- কোনটি এনামুল হকের রচনা?
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকের সাথে 'বিড়াল' রচনার গুণগত পার্থক্যগুলো তোমার যুক্তিসহ উপস্থাপন করো।