'আমাকে সেই অস্ত্র ফিরিয়ে দাও'— এখানে কবি
কোন অস্ত্রে কথা বলেছেন?
A.
ভালোবাসা
B.
প্রাচীন
C.
পারমাণবিক
D.
আধুনিক
সঠিক উত্তরঃ
A.
ভালোবাসা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- “সেই অমোঘ অনন্য অস্ত্র|"____এখানে কোন অস্ত্রেরকথা বলা হয়েছে?
- ল্যুভ জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, ---। বাক্যটির শূন্যস্থানে মে
- চিত্রকল্পাত্মক কবিতা
- আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতামগ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলাগান ঘাটুগান গাইতাম।………………………………………'করি ভাবনা সেদিন আর পাব নাছিল বাসনা সুখী হইতামদিন হতে দিন আসে যে কঠিনকরিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম।"ভালোবাসার- রসে সিক্ত হয়ে সুখী হওয়ার পুরোনো পথই যেন খুঁজেছেন উভয় কবি।"- এ বিষয়ে তোমার মতামত পেশ করো।
- জাদুঘর গড়ে উঠেছিল-
- "যেথা পাই চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী কুড়াইয়া আনি।"- ব্যাখ্যা করো।
- 'বঙ্গভাষা' কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- পেশায় কৃষক হলেও জলিল শেখ সৌখিন মানুষ। রিকশাছাড়া বাজারে যায় না। চা খাওয়ারও দারুণ নেশা। বাড়িতেরান্না হলেও বাজারের হোটেলে প্রায়ই সে খাওয়া-দাওয়াকরে। উদ্দীপকের জলিল শেখ চরিত্রে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধেরযে দিকটির মিল রয়েছে—বিলাসিতারুচিশীলতাসচ্ছলতানিচের কোনটি সঠিক?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।উদ্দীপকের 'কীত্তনখোলা' নাটকের চরিত্রগুলো 'ঐকতান' কবিতার কোন চরিত্রগুলো কী প্রসঙ্গে তুলনীয়?
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?
- সিকানদার আবু জাফরের মূল পেশা কী ছিল?
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে 'নবাবি চাল ' বলতে কি বোঝানো হয়েছে ?
- আব্দুল করিম আমলাগাছী গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক। দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে সে মাঠে ফসল ফলায়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলালেও সংসার ঠিকমতো চালাতে পারে না সে। পরিবারের সকলের চাহিদা মেটানো তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এত পরিশ্রম করেও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো অবস্থা তার।'নূন আনতে পান্তা ফুরায়'- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিচার করো।
- ‘গঙ্গাঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ’ গ্রন্থের লেখক কে?
- বিড়াল প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
- "সে তো প্রাঁপ্ত নয়, আত্মবিসর্জন। " কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- 'হে বঙ্গ ,ভান্ডারে তব বিবিধ রতন' এখানে 'রতন' বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
- পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে' কে পেয়েছিলেন ?
- 'নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে আগুন ঝরবে না'- বিষয়টি বুঝিয়ে দাও।