” তবে সেখানে গৃহিণীর না যাওয়াই ভাল।”- ‘অর্ধাঙ্গী’ রচনায় উল্লিখিত জায়গাটি-
A. চন্দ্রালোক
B. গ্রহ-নক্ষত্র
C. সৌরমন্ডল
D. আকাশমার্গ
সঠিক উত্তরঃ
C.
সৌরমন্ডল
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "বিষাদ সিন্ধু" কার লেখা বই?
- 'ঐকতান' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের নায়ক –
- মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদি সকলের জন্য পুণ্যস্থান কী?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- জেন্দাবেস্তা কী?
- কবি আলওল কোন যুগের কবি?
- ‘মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।’ - বাক্যটি কোন রচনায় আছে ?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে…………………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকে বর্ণিত কবির এই বাংলায় ফিরে আসার যে আকুলতা তার যথার্থ উত্তর বিধৃত হয়েছে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়- মন্তব্যটির পক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- 'তাঁহারা সুকুমারী গোলাপ-লতিকায় কাঁঠাল ফলাইতে চাহেন। 'বাক্যটি কোন রচনার?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- "দেশবন্ধু আসিয়াছে ক্ষুরধার পদ্মায় এবার,কালীদহে ক্লান্ত গাঙশালিখের ভিড়ে যেন।আসিয়াছে ঝড়,আসিয়াছে চণ্ডীদাস-রামপ্রসাদের শ্যামা সাথে সাথে তার;শঙ্খমালা, চন্দ্রমালা; মৃত শত কিশোরীরকঙ্কণের স্বর।"উদ্দীপকের 'দেশবন্ধু' শব্দটি দ্বারা 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কবির মনোভাবের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
- 'কেলিনু শৈবলে, ভুলি কমল -কানন' --- 'শৈবলে' বলতে বুঝিয়েছেন
- বাংলাদেশ' কবিতায় কোন ধরনের উল্লেখ আছে?
- বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- 'বরং সত্য কথা বলতে গেলে সাধরণ লোকের মন স্বভাবতই যেখানে আছে, তারই চারপাশে ঘুরে বেড়াতে চায়, উড়তেও চায় না, ডুবতেও চায় না'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'অচলা' বাংলা সাহিত্যের কোন উপন্যাসের নায়িকা?
- সকল লোকের মাঝে ব'সেআমার নিজের মুদ্রাদোষেআমি একা হতেছি আলাদা। উদ্দীপকের মুদ্রাদোষ 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোনপঙক্তিকে ধারণ করে ?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুসারে আত্মার পরিপুষ্টিরজন্য প্রয়োজন—বিচিত্র অভিজ্ঞতাউচ্চশিক্ষাগভীর সহানুভূতিনিচের কোনটি সঠিক?