'পদ্মা মেঘনা যমুনা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
A. সৈয়দ ওয়ালিউলণ্ঢাহ
B. জহির রায়হান
C. আবুজাফর শামসুদ্দীন
D. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
C.
আবুজাফর শামসুদ্দীন
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ঈসা-মুসা কোথায় বসে সত্যের পরিচয় পেলেন?
- বিচক্ষণ বা যুক্তিসম্মত শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
- "স্বপ্ন নয়— শান্তি নয়ভালোবাসা নয়হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়আমি তারে পারি না এড়াতে।" উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোন চরণের মিল পাওয়া যায়?
- "কোরানে পুরাণে শিল্পে, পালা-পার্বণের ঢাকে ঢোলেআউল বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়,...... মাঠে ঘাটে শ্রমসঙ্গী নানাজাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ - "উদ্দীপক ও 'সাম্যবাদী' কবিতার অন্বিষ্ট—
- 'তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনীটি কার রচনা?
- ‘সেই অস্ত্র' কবিতাকে শান্তিপ্রিয় পৃথিবীবাসীর জন্যকী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
- চার্বাক কে?
- “বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি” কোন কবিতার চরণ?
- আবু জাফর শামসুদ্দীন-এর মৃত্যু সাল কোনটি?
- শুনহ মানুষ ভাইসবার উপর মানুষ সত্যতাহার উপরে নাই।উপর্যুক্ত ভাব প্রকাশক চরণ হলো—
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে' বলতে বোঝানো হয়েছে— নদীর বাঁকে মৃত্যুর ফাঁদ জীবন মরণের সম্পৃক্তিসত্যিকারে মৃত্যু বাধাহীননিচের কোনটি সঠিক?
- আব্দুল করিম আমলাগাছী গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক। দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে সে মাঠে ফসল ফলায়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলালেও সংসার ঠিকমতো চালাতে পারে না সে। পরিবারের সকলের চাহিদা মেটানো তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এত পরিশ্রম করেও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো অবস্থা তার।'নূন আনতে পান্তা ফুরায়'- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিচার করো।
- কাঁসা শিল্পের জন্য বিখ্যাত জামালপুরের-
- মাঠে-ঘাটে শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতি - কোন কবিতার অংশ?
- "দেশবন্ধু আসিয়াছে ক্ষুরধার পদ্মায় এবার,কালীদহে ক্লান্ত গাঙশালিখের ভিড়ে যেন।আসিয়াছে ঝড়,আসিয়াছে চণ্ডীদাস-রামপ্রসাদের শ্যামা সাথে সাথে তার;শঙ্খমালা, চন্দ্রমালা; মৃত শত কিশোরীরকঙ্কণের স্বর।"উদ্দীপকের 'দেশবন্ধু' শব্দটি দ্বারা 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কবির মনোভাবের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
- নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- সেলিম আল দীন এর নাট্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?