সেলিম আল দীন এর নাট্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
A. বর্ণনাত্মকধর্মী
B. এ্যাকশনধর্মী
C. গীতধর্মী
D. বিবরণধর্মী
সঠিক উত্তরঃ
C.
গীতধর্মী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- ‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
- ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
- “বিড়াল' রচনায় “তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির”-
- 'সমস্ত দোষ হৈমর'-এখানে হৈমর দোষ কী?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পের মূল বিষয়বস্তু-
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকেজাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে।উদ্দীপক ও 'যাদুঘরে কেন যাব' রচনায় মিল রয়েছেকোনদিক থেকে?
- 'একুশের গল্পের' লেখক কে?
- বঙ্গভাষা' কবিতায় ষটকের মিলবিন্যাস -
- ছোটদের বড়দের সকলের, গরীবের নিঃস্বের ফকিরেরআমার দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।নেই ভেদাভেদ হেথা চাষা আর চামারে,নেই ভেদাভেদ হেথা কুলি আর কামারে।।হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, দেশমাতা এক সকলের।উদ্দীপকটি 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘শাক্যমুনির' পরিচয় কী?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।'ঐকতান' কবিতায় যে অপূর্ণতার কথা ব্যক্ত হয়েছে উদ্দীপকে তা নেই'- বিশ্লেষণ করো।
- ‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসের চলচ্চিত্র-রূপ কে দিয়েছিলেন?
- বঙ্গভাষা' কবিতার কোন অংশ শেক্সপিয়রীয় সনেটের রীতিতে রচিত?
- মিছিলে রাহাত কি করছিল ?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ কবিতায় কবি অরুণকে তুলনা করেছেন-
- শহিদ সাবের কে ছিলেন?
- মুসলমান, খিষ্টান ও ইহুদিদের কাছে সমভাবেসমাদৃত কোনটি?
- "যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান।"- ব্যাখ্যা করো।
- ফ্রান্সের জাতীয় জাদুঘর ও আর্ট জাদুঘর কোনটি?
- ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক' কোন গল্প থেকে নেওয়া?
- 'ঐকতান' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন শ্রেণিরকবিকে আহ্বান করেছেন-
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকের সাথে 'বিড়াল' রচনার গুণগত পার্থক্যগুলো তোমার যুক্তিসহ উপস্থাপন করো।
- 'সংশয়ে দুলে দুলে কাঁটাটি ডানদিকে হেলে থেকে যায়।' বাক্যটি কোন রচনা অন্তর্গত ?
- সুন্দরীপাড়া গ্রামের আকাশে সূর্যোদয়ে তৈরি হয় অপরূপ একদৃশ্য। গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী অফুরন্তমমতারসে সিক্ত করে তুলেছে দু'পাড়ের গাঢ় সবুজ প্রকৃতি ওজনজীবনকে।উদ্দীপকের সাথে ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতারকোন ভাবগত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? নদীর প্রভাবপ্রকৃতির রূপমুগ্ধতানদীকেন্দ্রিক জনজীবননিচের কোনটি সঠিক?
- সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি?
- আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন?
- মাঠে-ঘাটে শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতি - কোন কবিতার অংশ?
- বর্তমান বিশ্বের অগ্রগতির চাকা নির্ভর করে কৃষকের তথাকৃষির অগ্রযাত্রার ওপর।উদ্দীপকের সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ কীভাবেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- "কবর" কবিতায় দাদু শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার সময় কোন হাটে কেনাকাটা করতেন?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে 'তপোবন প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ'বলতে যা বোঝানো হয়েছে—
- রবিন মফস্বলের একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। সে তার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সংকল্প' কবিতার "দেখব এবার জগতটাকে” চরণটির প্রতি অনুরক্ত। তাই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়। প্রিয় কবির জগৎটাকে দেখার ইচ্ছায় সে প্রায়ই দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো দেখতে যায়। এতে জ্ঞানপিপাসু মনে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি ঐতিহাসিক তত্ত্ব সম্পর্কেও জানতে পারে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু ও 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ভাবগত পার্থক্য কতটুকু? বিশ্লেষণ করো।
- প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
- সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষাদেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা।উদ্দীপকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনউক্তিটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
- 'ধন্যবাদ' কবিতায় ডলি কার নাম?
- ‘বিড়াল' রচনায় ওয়েলিংটন কে?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।