"নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডাল
প্রভু, ক্রীতদাস!
সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;
সমগ্রে প্রকাশ!
নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,
কর্ম চর্মকার! কত
রাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবে
হে পূজ্য, হে প্রিয়!
একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-
আত্মার আত্মীয়।"
উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জসীমউদ্দীনকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডি-লিট ডিগ্রিপ্রদান করে?
- জাদুঘরে সংরক্ষিত বস্তুর সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে- যা চমকপ্রদযা লুপ্তপ্রায়যা বিস্ময় উদ্রেগকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- যেমন হাসতে পারতো ছেলেটা , তেমনি গর্প করার ব্যাপারেও ছিল ওস্তাদ- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- কোন রচনায় নারী জাগরণের প্রসঙ্গ আলােচিত হয়েছে?
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিরক্ষা আবুল ফজল কোন যুগান্তকারী আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন?
- 'ল্যুভ' মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
- মানুষ মরে গেলে পচে যায়; বেঁচে থাকলে বদলায় কারণে -- অকারণে বদলায়।' এ উক্তিটি কার ?
- 'লাঙ্গল' কী?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে……………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে স???্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকের শেষ চার চরণের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ’যতো বড় ক্ষতি ততো বড় লাব- এই তো নিয়ম’ - এ কার সংলাপ?
- আবির হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি সবসময় সৎ, শুভ ও সুন্দরের পথে চলার উপদেশ দিতেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর ঊর্ধ্বে আমরা যে সবাই মানুষ, সেই মানুষের কথা বলতেন, মনুষ্যত্বের কথা বলতেন। তিনি আরও বলতেন, আমি একজন মুসলমান হয়ে শুধু মুসলমান শিক্ষার্থীকে পড়াতে আসিনি। আমি এসেছি সবার শিক্ষক, অর্থাৎ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে।উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- কনফুসিয়াস ছিলেন একজন-
- কবির অগোচরে কী রয়ে গেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- ”তুলসী পাতার রসের প্রয়োজন হয় নাই তার।” -কার প্রয়োজন হয় নি?
- ‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্হের লেখকের নাম কী?
- জীবন-বন্দনা ' কোন কাব্যের কবিতা ?
- নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রবল আকাঙ্ক্ষায় ভয়ভীতি দেখিয়ে, অত্যাচারনির্যাতন করেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এলাকাবাসীরসমর্থন পায়নি মির্জা সাহেব; অথচ তারই ছেলে দুঃখে সুখে জনগণেরপাশে থেকে, গ্রামে বিদ্যালয় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে এখন সকলেরইপ্রিয় ব্যক্তি।'সেই অস্ত্র' কবিতায় প্রত্যাশিত অস্ত্রের উত্তোলনে ওউদ্দীপকে মির্জা সাহেবের ছেলের কর্মকাণ্ডে প্রকাশপেয়েছে— সভ্যতার প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক কর্মনিষ্ঠামানুষের সামষ্টিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- "নীল হলুদ বেগুনি অথবা সাদা, অজস্র ফুল এর বন্যা অফুরন্ত" কোন কবিতার অংশ?
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- ‘শিবমন্দির’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?