জাল টাকা শনাক্তকরণ কোনটি ব্যবহৃত হয়?
KUUnit-Aরসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নতড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালি ও পারমানবিক বর্ণালি - রিডবার্গ সমীকরণ (Topic Practice)KU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
অতিবেগুনি রশ্মি
Explanation:

Another Explanation (5):
জাল টাকা শনাক্তকরণে অতিবেগুনি রশ্মি 🧐
জাল টাকা শনাক্ত করার জন্য অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) ব্যবহার করা হয়। এর কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
কেন অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 🤔
- নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য: অনেক দেশের ব্যাংক নোটগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকে যা সাধারণ আলোতে দেখা যায় না। এই বৈশিষ্ট্যগুলো অতিবেগুনি রশ্মির নিচে দৃশ্যমান হয়। ✨
- ফ্লুরোসেন্ট কালি: জাল নোট শনাক্ত করার জন্য আসল নোটে ফ্লুরোসেন্ট কালি ব্যবহার করা হয়। এই কালি অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে জ্বলে ওঠে। 💡
- সহজ ব্যবহার: অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং দ্রুত জাল নোট শনাক্ত করা যায়। ⏱️
- বহনযোগ্যতা: অতিবেগুনি রশ্মি শনাক্তকারী যন্ত্র ছোট এবং বহনযোগ্য হওয়ায় এটি দোকানে, বাজারে এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক স্থানে ব্যবহার করা সহজ। 🎒
জাল টাকা শনাক্তকরণে অতিবেগুনি রশ্মির ব্যবহারবিধি 🕵️♀️
- প্রথমে, নোটটিকে অতিবেগুনি রশ্মির নিচে ধরুন।
- নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো (যেমন: ফ্লুরোসেন্ট ফাইবার, ওয়াটারমার্ক) পরীক্ষা করুন। ✅
- যদি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো দৃশ্যমান না হয় বা সন্দেহজনক মনে হয়, তবে নোটটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ❌
বিভিন্ন প্রকার নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা | অতিবেগুনি রশ্মির নিচে দৃশ্যমানতা |
|---|---|---|
| ফ্লুরোসেন্ট ফাইবার | নোটের কাগজে এম্বেড করা ছোট রঙিন ফাইবার। | উজ্জ্বল রঙে দৃশ্যমান। 🌈 |
| ওয়াটারমার্ক | কাগজের ঘনত্বে পার্থক্য যা আলোতে দৃশ্যমান। | আরও স্পষ্ট এবং উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান। 🌟 |
| নিরাপত্তা সুতো | নোটের মধ্যে থাকা একটি সরু সুতো। | রঙ পরিবর্তন করে বা ফ্লুরোসেন্ট আলো ছড়ায়। 💫 |
সতর্কতা ⚠️
সব ধরনের জাল নোট অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে শনাক্ত করা নাও যেতে পারে। তাই অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলোর দিকেও নজর রাখা উচিত। 👀
আরও জানতে এবং বিস্তারিত তথ্য পেতে, আপনার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। 🌐