মায়োসিসের ফলে সৃষ্টি হয় -
HSTUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন (Topic Practice)HSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
গ্য???মেট
Explanation:
Another Explanation (5):
মিয়োসিস: গ্যামেট সৃষ্টির প্রক্রিয়া 🧬
মিয়োসিস একটি বিশেষ কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যা জননকোষ বা গ্যামেট (শুক্রাণু ♂️ এবং ডিম্বাণু ♀️) তৈরিতে ঘটে। এটি দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়: মিয়োসিস I এবং মিয়োসিস II।
মিয়োসিসের ধাপসমূহ 🪜
- মিয়োসিস I:
- প্রোফেজ I: এই ধাপে ক্রোমোজোমগুলো জোড় বাঁধে 짝짓기 এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে বংশগত উপাদানের বিনিময় করে 🔄।
- মেটাফেজ I: ক্রোমোজোমগুলো কোষের কেন্দ্রে সারিবদ্ধ হয় ↔️।
- অ্যানাফেজ I: হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো আলাদা হয়ে যায় แยก하다।
- টেলোফেজ I: দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয় ➗।
- মিয়োসিস II:
- প্রোফেজ II: এটি মাইটোসিসের প্রোফেজের অনুরূপ 비슷한।
- মেটাফেজ II: ক্রোমোজোমগুলো আবার কোষের কেন্দ্রে সারিবদ্ধ হয় ↔️।
- অ্যানাফেজ II: সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো আলাদা হয়ে যায় 分裂।
- টেলোফেজ II: চারটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট তৈরি হয় ➗➗।
মিয়োসিসের গুরুত্ব 🌟
- গ্যামেট তৈরি: মিয়োসিসের মাধ্যমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু তৈরি হয়, যা যৌন প্রজননের জন্য অপরিহার্য 🥚+ ♂️=👶।
- ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস: গ্যামেটে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক করে (ডিপ্লয়েড থেকে হ্যাপ্লয়েড), যা নিষিক্তকরণের পর ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থিতিশীল রাখে 💯।
- বংশগত ভিন্নতা: ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে বংশগত উপাদানের পুনর্বিন্যাস ঘটে, যা নতুন বৈশিষ্ট্যের জন্ম দেয় 🆕।
মিয়োসিস এবং মাইটোসিসের মধ্যে পার্থক্য ⚖️
| বৈশিষ্ট্য | মিয়োসিস | মাইটোসিস |
|---|---|---|
| কোষ বিভাজন সংখ্যা | দুবার (মিয়োসিস I এবং মিয়োসিস II) | একবার |
| উৎপন্ন কোষ সংখ্যা | চার (হ্যাপ্লয়েড) | দুই (ডিপ্লয়েড) |
| ক্রোমোজোম সংখ্যা পরিবর্তন | অর্ধেক হয়ে যায় (2n → n) | একই থাকে (2n → 2n) |
| ক্রসিং ওভার | ঘটে | ঘটে না |
| উদ্দেশ্য | গ্যামেট তৈরি | শারীরিক বৃদ্ধি ও কোষ প্রতিস্থাপন |
সুতরাং, মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যামেট উৎপন্ন হয় এবং এটি বংশগতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে 👍।
Option A Explanation:
গ্য???মেট
- গ্য???মেট শব্দটি সম্ভবত "গ্যামেট" (Gamet) হতে পারে।
- গ্যামেট হলো জীবের প্রজনন কোষ, যেমন শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।
- এগুলো মূলত জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়, যেমন গ্যামেটোজেনেসিস।
- গ্যামেটের মধ্যে জৈবিক উপাদান এবং জেনেটিক তথ্য থাকে যা নতুন জীবের সৃষ্টি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, মানবের গ্যামেট হলো শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু।
Option B Explanation:
- জাইগোট: জাইগোট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যা স্পোরোজয়েটের পরবর্তীতে গঠিত হয়। এটি মূলতঃ পরজীবীর একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রূপ, যা পরবর্তীতে অ্যানফিলিস মশকীর দেহে বৃদ্ধি পায়।
- গঠন: জাইগোট তৈরির জন্য, স্পোরোজয়েটগুলো অ্যানফিলিস মশকীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে মিলিত হয় এবং একত্রিত হয়ে এই পর্বটি গঠন করে।
- অবস্থান: এটি মশকীর অগ্ন্যাশয় বা গ্লান্ডে অবস্থান করে, যেখানে এটি পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
- মূল ভূমিকা: জাইগোট পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলোতে রূপান্তরিত হয়, যা পরিশেষে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রোগের কারণ হয়।
Option C Explanation:
- মায়োসাইট: এটি হল একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়।
- মায়োসাইটগুলি মূলত মূল কোষের (সেল) বিভাজনের ফলাফল, যেখানে ডি-অ্যাপ্লয়েড (নিম্ন) সংখ্যা তৈরি হয়।
- এই কোষগুলো মূলত লিঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলি থেকে গামেট তৈরি হয়।
- মায়োসাইটের বিভাজন দুই ধাপে হয়: প্রথমে প্রাইমারি মায়োসাইট বিভাজিত হয়, তারপর সেকেন্ডারি মায়োসাইটে, যা অবশেষে গামেট বা শুক্রাণু ও ডিম্বাণু তৈরি করে।
- এটি জৈবিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
- মায়োফিল: এটি একটি ধরণের ধমনির পেশী কোষ যা মূলত শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ধমনির প্রাচীরে পাওয়া যায়।
- এটি স্বাভাবিকভাবে সঞ্চালন ও সংকোচন ঘটাতে সাহায্য করে, ফলে রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
- মায়োফিলের সঠিক কার্যকারিতা শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।