মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিতা পরজীবী কোনটি?

A. Plasmodium vivax
B. Plasmodium malariae
C. Plasmodium ovale
D. Plasmodium falciparum
Poster Download
CCঅণুজীবCC - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. Plasmodium vivax
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"বিভাইনে টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া হল একটি সংক্রামক রোগ যা Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট, এবং এটি প্রধানত মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Plasmodium vivax: সঠিক অপশন: Plasmodium vivax হল টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী যা ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  2. Plasmodium malariae: ভুল অপশন: Plasmodium malariae হল কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার কারণ, যা টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. Plasmodium ovale: ভুল অপশন: Plasmodium ovale একটি বিরল প্রজাতি যা মূলত আফ্রিকায় পাওয়া যায় এবং এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. Plasmodium falciparum: ভুল অপশন: Plasmodium falciparum হল সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া পরজীবী যা প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী এবং তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
Option A Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং ???ক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option C Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option D Explanation:
  • প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
  • বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
  • উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।