মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি ভাইরাস ঘটিত রোগ?

A. কলেরা
B. যক্ষ্মা
C. ডিপথেরিয়া
D. ডেঙ্গু
Poster Download
CCঅণুজীবCC - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ডেঙ্গু
Explanation: ডেঙ্গু গ্রীষ্ম প্রধান অঞ্চলের একটি সংক্রমণ রোগ যা ভাইরাস দ্বারা ঘটে থাকে। • Flavivirus গণভুক্ত একটি RNA ভাইরাস ডেঙ্গু রোগের কারণ। • Aedes aegypti প্রজাতিভুক্ত মশকী দ্বারা ডেঙ্গু রোগের ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে।
Option A Explanation:
  • কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
  • সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
  • উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option B Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
  • প্রধান কারণ: Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া
  • প্রভাবিত অঙ্গ: ফুসফুস প্রধানত, তবে অন্য অঙ্গগুলোও হতে পারে
  • লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কাশির রক্ত, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ও রাতের ঘাম
  • চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি
  • প্রতিরোধ: টিকা (BCG) ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
Option C Explanation:
  • ডিপথেরিয়া হল একটি সংক্রমণজনিত রোগ যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে Corynebacterium diphtheriae
  • এটি সাধারণত নাক, গলা, এবং শ্বাসনালীতে সংক্রমণ ঘটায়, এবং কখনও কখনও ক্ষত বা ত্বকেও হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে গলা ব্যথা, জ্বর, এবং গলায় মোটা ধূসর বা কালো ধরণের আবরণ।
  • সাধারণত এটি ছুঁড়ে ফেলা বা সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়, এবং সম্পূর্ণ চিকিত্সা না করলে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ, যা ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিনের মাধ্যমে সরবরাহ হয়।
Option D Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।