জহির রায়হান রচিত ‘বরফ গলা নদী’ একটি-
A. গল্প
B. উপন্যাস
C. নাটক
D. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তরঃ
B.
উপন্যাস
Explanation: ‘বরফ গলা নদী’ ছাড়াও জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, তৃষ্ণা, শেষ বিকেলের মেয়ে, আর কতদিন।
Related Questions (Any University/Year)
- ’আসমানের তারা সাক্ষী/সাক্ষী এই জমিনের ফুল’ কার পঙ্ক্তি?
- "পদ্মানদীর মাঝি" উপন্যাসে কুবেরের মেয়ের নাম কি?
- 'হৈমন্তী' প্রথম কোন গ্রস্থে সঙ্কলিত হয় ?
- ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা কে?
- "আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলা গান ঘাটুগান গাইতাম।বর্ষা যখন হইত গাজির গাইন আইতরঙ্গে ঢঙ্গে গাইত আনন্দ পাইতামবাউলা গান ঘাটুগান আনন্দের তুফানগাইয়া সারিগান নাও দৌড়াইতাম।"- এই কবিতাংশে কৃষকদের এত আনন্দের কারণ তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা।উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রাম বাংলার মানুষের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের উল্লিখিত কৃষকের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- বাংলা মুদ্রণযন্ত্র প্রথম কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় কবি পেটে, পিঠে, কাঁধে ও মগজে কি নেওয়ার কথা বলেছেন?
- মুহূর্তের অগ্ন্যুৎপাত' দ্বারা 'সেই অস্ত্র' কবিতায়ইঙ্গিত করা হয়েছে—
- “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে"--- কোন কবির রচনা?
- ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে কোন বৃদ্ধি মানুষকে অন্যপ্রাণী থেকে আলাদা করেছে?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- 'লাল নীল দীপাবলি' কার রচনা?
- যৌবনের পূজারীদের দলে কোন ____________ নাই।
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী শোনায়?
- রোদ্যাঁ কোন দেশের ভাস্কর?
- ‘ওরা কদম আলী’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- "ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে। উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে" বলেছেন --
- বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শীষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।উদ্দীপক এবং 'ঐকতান' কবিতার মধ্যে বৈসাদৃশ্যগুলো আলোচনা করো।
- নমি কৃষি-তন্তুজীবী, স্থপতি, তক্ষক, কর্ম, চর্মকার! 'ঐকতান' কবিতা কবির জীবন সায়াহ্নের-জিজ্ঞাসাসমীকরণকল্পনা বিলাসনিচের কোনটি সঠিক?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।