মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

∝ কনা বিক্ষেপণ পরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড কি আবিষ্কার করেন?

A. ইলেকট্রন
B. নিউট্রন
C. প্রোটন
D. নিউক্লিয়াস
Poster Download
JUUnit-DSet-2রসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নরাদারফোর্ড পরমাণু মডেল (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. নিউক্লিয়াস
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ∝ কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষার মাধ্যমে রাদারফোর্ডের কাজ ছিল পরমাণুর গঠন সম্পর্কে জানা। অপশন বিশ্লেষণ: A. ইলেকট্রন: ভুল, এটি জে.জে. থমসন আবিষ্কার করেছিলেন। B. নিউট্রন: ভুল, এটি চ্যাডউইক আবিষ্ক???র করেছিলেন। C. প্রোটন: ভুল, রাদারফোর্ড এটির ধারণা দেন কিন্তু পরীক্ষায় এটি প্রমাণ হ???নি। D. নিউক্লিয়াস: সঠিক, এই পরীক্ষায় রাদারফোর্ড নিউক্লিয়াসের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন। নোট: রাদারফোর্ডের পরীক্ষায় নিউক্লিয়াসকে পরমাণুর কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
Another Explanation (5):

⚛️ রাদারফোর্ডের আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা ⚛️

বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড তার বিখ্যাত আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন। এটি ছিল পরমাণু গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেওয়া একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা।

🔎 পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য:

  • পরমাণুর ভেতরের গঠন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা।
  • Thomson এর প্লাম পুডিং মডেল যাচাই করা।

🧪 পরীক্ষার উপকরণ:

  1. আলফা কণা উৎস (যেমন: রেডিয়াম) ☢️
  2. সোনার পাত (খুব পাতলা, প্রায় 10-6 মিটার পুরু) 🥇
  3. জিঙ্ক সালফাইড (ZnS) পর্দা (আলোর ঝলক দেখার জন্য) ✨
  4. সীসার বাক্স (আলফা কণা নির্গমণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য) 🧱
  5. Microscope 🔬

⚙️ পরীক্ষার পদ্ধতি:

আলফা কণা উৎস থেকে নির্গত কণাগুলোকে সোনার পাতের ওপর ফেলা হয়। জিঙ্ক সালফাইড পর্দা দ্বারা বিক্ষিপ্ত কণাগুলোর গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

📊 পর্যবেক্ষণ:

পর্যবেক্ষণ ফলাফল
বেশিরভাগ আলফা কণা সোজা পথে চলে যায় ➡️ পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
কিছু কণা সামান্য বেঁকে যায় ↩️ পরমাণুর কেন্দ্রে ধনাত্মক চার্জ রয়েছে। ➕
খুব অল্প সংখ্যক কণা (প্রায় ২০,০০০ এর মধ্যে ১টি) যে পথে এসেছিল, সে পথেই ফিরে আসে 🔙 পরমাণুর ভেতরের ধনাত্মক চার্জ এবং ভর একটি ক্ষুদ্র স্থানে কেন্দ্রীভূত। 🎯

💡 সিদ্ধান্ত:

রাদারফোর্ড এই পরীক্ষার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে:

  • পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র, ভারী এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত অঞ্চল রয়েছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। ☢️🧠
  • নিউক্লিয়াসের আকার পরমাণুর আকারের তুলনায় খুবই ছোট। 🤏
  • পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 💨
  • ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘোরে। ঘুরন্ত ইলেকট্রন 💫

📜 রাদারফোর্ডের মডেল:

এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড পরমাণুর একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন, যা সৌর মডেল নামে পরিচিত। এই মডেলে, নিউক্লিয়াসকে সূর্যের সাথে এবং ইলেকট্রনগুলোকে গ্রহের সাথে তুলনা করা হয়। ☀️🪐

পরিশেষে, এই পরীক্ষাটি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। 🎉🥳