নিম্নে উল্লেখিত কোন পার্থেনোকার্পিক ফলটি 'জিবেরেলিন' নামক একটি ফাইটোহরমোন প্রয়োগে সৃষ্টি করা হয়?
Dentalজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
আপেল
Explanation:

Another Explanation (5):
পার্থেনোকার্পি ও জিবেরেলিন: আপেল🍎 এর বিশেষ উদাহরণ
পার্থেনোকার্পি হলো নিষেক ছাড়াই ফল ??ৎপাদন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত ফলে সাধারণত বীজ থাকে না। বিভিন্ন কারণে পার্থেনোকার্পি হতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম হলো হরমোনের প্রভাব। নিচে জিবেরেলিন হরমোন ব্যবহার করে আপেল 🍏 উৎপাদনে পার্থেনোকার্পির ভূমিকা আলোচনা করা হলো:
জিবেরেলিন (Gibberellin): একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইটোহরমোন
- জিবেরেলিন একটি উদ্ভিদ হরমোন যা গাছের বৃদ্ধি এবং বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🌱
- এটি কোষের প্রসারণ, অঙ্কুরোদগম, ফুল ধারণ এবং ফল উৎপাদনে সহায়তা করে।
- কিছু উদ্ভিদে, জিবেরেলিন প্রয়োগের মাধ্যমে পার্থেনোকার্পিক ফল উৎপাদন করা সম্ভব।
আপেল 🍎🍏 ও জিবেরেলিন-প্র induced পার্থেনোকার্পি
আপেল একটি ফল যা জিবেরেলিন প্রয়োগের মাধ্যমে পার্থেনোকার্পিকভাবে উৎপাদন করা যায়। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:
- ফুল ফোটার সময় প্রয়োগ: আপেল গাছে ফুল ফোটার সময় জিবেরেলিন হরমোন স্প্রে করা হয়। 🌸
- নিষেক ছাড়াই ফল গঠন: জিবেরেলিন ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করে এবং নিষেক ছাড়াই ফল গঠন শুরু হয়। 🌼➡️🍎
- বীজবিহীন ফল: যেহেতু নিষেক হয় না, ??াই ফলে বীজ তৈরি হয় না। 🚫 seeds
- ফলের আকার বৃদ্ধি: জিবেরেলিন ফলের আকার এবং গুণগত মান বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। ⬆️ Size & Quality
পার্থেনোকার্পিক আপেলের সুবিধা ➕ ও অসুবিধা ➖
| বিষয় | সুবিধা 👍 | অসুবিধা 👎 |
|---|---|---|
| উৎপাদনশীলতা | ফলন বৃদ্ধি পায়। 📈 | নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ জরুরি, অতিরিক্ত হরমোন ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে। ⚠️ |
| গুণমান | আকর্ষণীয় আকার এবং উন্নত গুণমান। ✨ | স্বাভাবিক ফলের তুলনায় স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। 🤔 |
| বীজ | বীজবিহীন হওয়ায় খাওয়া সহজ। 😊 | নতুন চারা উৎপাদনের জন্য বীজের অভাব। 😥 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ ❗
- জিবেরেলিনের সঠিক মাত্রা এবং প্রয়োগ পদ্ধতি জানা অত্যাবশ্যক। 🤓
- অন্যান্য ফাইটোহরমোন যেমন অক্সিন (Auxin) ও সাইটোকিনিন (Cytokinin) ও পার্থেনোকার্পি তে সাহায্য করে।
- পার্থেনোকার্পি উদ্ভিদের প্রজনন কৌশল এবং ফল উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। 💡
আশা করি, এই আলোচনা থেকে জিবেরেলিন প্রয়োগের মাধ্যমে আপেল উৎপাদনে পার্থেনোকার্পির ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 🎉
Option A Explanation:
- আঙ্গুর: আঙ্গুরের মধ্যে উপস্থিত কিছু রাসায়নিক উপাদান জিবেরেলিনের মতো ফাইটোহরমোনের প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম।
- এটি প্রাকৃতিকভাবে ফলের মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদান যা গাছের বৃদ্ধি ও ফলের আকার ও আকারে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।
- জিবেরেলিনের মতো গ্লাইকোপ্রোটিন হরমোনের প্রয়োগে আঙ্গুরের ফলের আকার বড়, সুন্দর ও বেশি ঝুলন্ত হয়।
- এটি ফলের উন্নয়নে ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের আকার ও গুণগত মান উন্নত হয়।
- প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে আঙ্গুরের মধ্যে এই উপাদান প্রয়োগ করে ফলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা যায়।
Option B Explanation:
- নাম: কলা
- প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
- উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option C Explanation:
- পেঁপে: পেঁপে একটি ফল যা প্যারা-প্রোথাইরয়েড হরমোনের মতো কাজ করে, যা জিবেরেলিনের মতো ফাইটোহরমোনের প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।
- এটি সাধারণত এর পেপাইনের জন্য পরিচিত, যা পাচনতন্ত্রে সহায়ক, তবে এর কিছু প্রভাব হরমোন সংশ্লেষণে প্রভাব ফেলতে পারে।
- প্রাকৃতিকভাবে, পেঁপে কিছু হরমোনের মতো কার্যকলাপ করতে পারে, যা গবেষণার মাধ্যমে দেখা গেছে।
Option D Explanation:
- আপেল একটি ফল যা সাধারণত স্বাদে মিষ্টি ও টক হয়।
- এটি প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, ফাইবার, ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ।
- আধুনিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, আপেলে প্যাথেনোকার্পিক যৌগের উপস্থিতি থাকতে পারে, যা বিভিন্ন গবেষণায় জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের বিকাশে সাহায্য করতে পারে।
- গবেষণাগুলিতে উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আপেল থেকে পার্থেনোকার্পিক ফল তৈরি করা সম্ভব, যেখানে জিবেরেলিনের মতো হরমোনের মতো কার্যকলাপ দেখা যায়।
- এটি প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বিভিন্ন হরমোনের বিকাশে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই ফলটির গুরুত্ব রয়েছে।