বাংলাদেশের জিএম ফসল বেগুনে কোন ব্যাকটেরিয়ার জিন যােগ করে পােকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করেছে?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Bacillus thuringiensis
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বাংলাদেশে জিএম (জেনেটিক্যালি মডিফাইড) ফসল হিসেবে বেগুনে ব্যাকটেরিয়ার জিন সংযোজন করা হয়েছে যা পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Agrobacterium tumefaciens: ভুল, এটি মূলত উদ্ভিদের গলে টিউমার সৃষ্টি করে। B. Bacillus subtilis: ভুল, এটি প্রধানত জীবাণুনাশক ব্যাকটেরিয়া। C. Bacillus thuringiensis: সঠিক, এই ব্যাকটেরিয়া থেকে Bt টক্সিন উৎপন্ন হয়, যা বেগুনের কীটনাশক প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। D. Bacillus amyloliquefaciens: ভুল, এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। নোট: Bt বেগুন বাংলাদেশে কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করেছে।
Another Explanation (5):
বাংলাদেশের জিএম ফসল বেগুনে ব্যাকটেরিয়ার জিনের মাধ্যমে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ
বাংলাদেশের জিএম (জেনেটিকালি মোডিফায়েড) বেগুনে ব্যবহৃত হয়েছে একটি বিশেষ জিন, যা পোকার আক্রমণ থেকে ফসলকে রক্ষা করে। এই জিনটি হলো বেসিলাস থুরিংজেনিসিস (Bacillus thuringiensis) থেকে নেওয়া।
বেসিলাস থুরিংজেনিস কী?
- একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায়।
- এটি পোকারের জন্য বিষাক্ত পাউডার তৈরি করে।
- পোকাদের পেটে এই ব্যাকটেরিয়ার জিন সক্রিয় হলে তারা খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দেয় বা মারা যায়।
জিএম বেগুনে জিনের সংযোজন
জিএম বেগুনে Bt (Bacillus thuringiensis) এর জিন সংযোজিত হয়, যা পোকার জন্য এক প্রকার বিষাক্ত প্রোটিন তৈরি করে। এর ফলে, পোকার আক্রমণ কমে যায় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।
ফলাফল ও সুবিধা
| উপকারিতা | বিবরণ |
|---|---|
| পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে যায় 🐛 | পোকারা বিষাক্ত প্রোটিন দ্বারা আক্রান্ত হয়, ফলে ক্ষতি কম হয়। |
| কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায় 🚫 | প্রাকৃতিক জিনের কারণে রাসায়নিক কীটনাশকের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পায়। |
| পরিবেশের উপর কম প্রভাব 🌱 | প্রাকৃতিক উপায়ে পোকার থেকে রক্ষা, পরিবেশের জন্য উপকারী। |
উপসংহার
সারাংশে, বাংলাদেশের জিএম বেগুনে ব্যবহৃত Bacillus thuringiensis এর জিন পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি একটি প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি, যা ফসলের উন্নতি ও স্থায়ী কৃষি ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 🌾🌍
Option A Explanation:
- নাম: Agrobacterium tumefaciens
- প্রকার: গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া
- উৎপত্তি: সাধারণত গাছপালার মধ্যে থাকে এবং টিউমার বা গুটি সৃষ্টি করে
- ব্যবহার: জিন ট্রান্সফার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ তৈরিতে
- বিশেষত্ব: এটি ডিএনএ ট্রান্সফার দ্বারা উদ্ভিদ কোষের জিনোমে জিন সংযোজন করতে সক্ষম
- প্রয়োগ: বিটি-কটন উৎপাদনে জীন যোগান দিতে ব্যবহৃত হয়, যা ক্ষতিকর পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
Option B Explanation:
- Bacillus subtilis একটি গ্রাম-পজিটিভ, অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা প্রকৃতিতে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।
- এটি মূলত ভূমি ও উদ্ভিদের উপর পাওয়া যায় এবং অনেক ধরনের ফসলের জন্য একটি প্রাকৃতিক উপকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বাকটেরিয়ার এই প্রজাতিটি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে।
- বাংলাদেশে বেগুনের মতো জিএম ফসলের জন্য ব্যবহৃত হয় যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম, ফলে উদ্ভিদের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।
Option C Explanation:
- নাম: Bacillus thuringiensis
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়া
- ব্যবহার: জৈব কীটনাশক তৈরিতে ব্যবহৃত
- বিশেষতা: এর মধ্যে রয়েছে ক্রিস্টাল প্রোটিন যা কীটপতঙ্গের জন্য বিষাক্ত
- উৎপত্তিস্থল: সাধারণত মাটি থেকে পাওয়া যায়
- উপকারিতা: কৃষিক্ষেত্রে কীটনাশক হিসেবে পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর
Option D Explanation:
- নাম: Bacillus amyloliquefaciens
- প্রকার: একটি গ্রাম-ধনাত্মক ব্যাকটেরিয়া
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে পাওয়া যায় এবং উদ্ভিদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- ব্যবহার: কৃষিতে জিএম ফসলের রোগনিরোধে বোটানিক্যাল এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়
- উপকারিতা: পোকা আক্রমণ কমানোর জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, উদ্ভিদকে সুস্থ ও সবল রাখে
- অন্য নাম: এটি "বেসিলাস" জেনাসের অন্তর্গত একটি প্রজাতি, যা বিভিন্ন পোকামাকড়ের জন্য ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সক্ষম