হায়ওয়ান আলী কোন নাটকের চরিত্র?
A. রক্তাক্ত প্রান্তর
B. জমীদার দর্পণ
C. নীল দর্পণ
D. চাকর দর্পণ
সঠিক উত্তরঃ
B.
জমীদার দর্পণ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: হায়ওয়ান আলী চরিত্রটি নাটক 'জমীদার দর্পণ'-এ দেখা যায়। এই নাটকটি মঞ্চে শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে তুলে ধরে। অপশন বিশ্লেষণ: A. রক্তাক্ত প্রান্তর: ভুল, হায়ওয়ান আলী এই নাটকের চরিত্র নয়। B. জমীদার দর্পণ: সঠিক, হায়ওয়ান আলী 'জমীদার দর্পণ' নাটকের চরিত্র। C. নীল দর্পণ: ভুল, হায়ওয়ান আলী এখানে নেই। D. চাকর দর্পণ: ভুল, এখানে হায়ওয়ান আলী চরিত্র নেই। নোট: 'জমীদার দর্পণ' নাটকটি সমাজের শোষণমূলক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
Related Questions (Any University/Year)
- _________ অন্ধকার হইতে আলোকে আনিয়াছি, ভাবিয়া কমলাকান্তের _____ আনন্দ হইল।' শূন্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- ‘লোক-লোকান্তর’ কবিতায় কোন বৃক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
- আল মাহমুদ-এর কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি তার কোন গ্রন্থ হতে সংকলিত হয়েছে?
- চার্বাক কে ছিলেন?
- . 'লোক-লোকান্তর' কবিতার চন্দনফুল কী রকম?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- আজি হতে শত বর্ষ পরে এর পরের পঙক্তিটি হলো-
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- আফিমের ঘোরে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী মনে করেছিল?
- ভ্রান্তি বিলাস' কার লেখা?
- সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে খান সেনারা কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলো?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূল/মৌলিক রচনা কোনটি?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলো?? (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।সৈন্য-সামন্ত' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- শব্দ ছন্দের বিচিত্র মন্ত্র পড়িয়া মায়ালোক রচনা করে। বাক্যটি কোন রচনার অন্তভুক্ত?
- মার্তগুপ্রায়, অগ্নিমান্দা, উর্দি, জবাকুসুমসঙ্কাশ, তিমিরবিদারী, আলোর দেবতা প্রভৃতি শব্দ তোমার পঠিত কোন গল্প/কবিতা/প্রবন্ধে বিদ্যমান?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?