কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে খান সেনারা কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলো?
A. হাইস্কুলে
B. মিলের রেস্ট হাউসে
C. বোর্ড অফিসে
D. A ও B উভয়ই
সঠিক উত্তরঃ
A.
হাইস্কুলে
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে খান সেনারা কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলো, এমন একটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে। এখানে দুটি স্থানের উল্লেখ আছে, যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। অপশন বিশ্লেষণ: A. হাইস্কুলে: সঠিক, এটি সঠিক স্থানের নাম। B. মিলের রেস্ট হাউসে: ভুল, এখানে সেনারা আশ্রয় নেননি। C. বোর্ড অফিসে: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. A ও B উভয়ই: ভুল, A সঠিক, B ভুল। নোট: 'কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে সেনারা হাইস্কুলে আশ্রয় নিয়েছিল।
Related Questions (Any University/Year)
- ভ্রান্তি বিলাস' কার লেখা?
- \আমি সেই ______অস্ত্রের প্রত্যাশী\- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- মানবসৃষ্টির উপাদানগুলির মধ্যে একটি উপাদান ছিল, ইহা সুনিশ্চিত ।এ বাক্যটি কোন রচনায় আছে?
- সাগরকন্যা'কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
- “অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা”। উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার ?
- আল মাহমুদ এর রচনা নয়-
- ------- আর ঘরে ঘরে চরকা ও টেকো হইলে চাষার ------- ঘুচিবে।'- শূণ্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- \নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে _____ঝরবে না\ - চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
- বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কে ছিলেন?
- দুটি চোখের কোটরে কিসের রং?
- শব্দ ছন্দের বিচিত্র মন্ত্র পড়িয়া মায়ালোক রচনা করে। বাক্যটি কোন রচনার অন্তভুক্ত?
- সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- রোহিনী'-কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- ভিটামিন আবিষ্কার করেন কে?
- সংসারের জ্বালা যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া । উক্তিটি যে প্রবন্ধ থেকে হয়েছে তার নাম কি?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- তরুলতা যেমন বৃষ্টির সাহায্যপ্রার্থী, মেঘও সেইরূপ তরুর সাহায্য চায়'। উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- স্বদেশ' কবিতা অনুসারে \স্বদেশের যত
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি তার কোন গ্রন্থ হতে সংকলিত হয়েছে?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- ‘ভাটি হইতে আইল বঙ্গাল লম্বা লম্বা দাড়ি’ - এই প্রাচীন পংক্তিটি কোন কাহিনীর অন্তর্গত?
- কোন প্রবন্ধটি রচনার কারণে মীর মশাররফ হোসেন স্বসমাজ হতে নিগৃহীত হন?
- আজি হতে শত বর্ষ পরে এর পরের পঙক্তিটি হলো-
- কোন উপন্যাসগুচ্ছ মহাশ্বেতা দেবীর?
- ‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- কোন ব্যক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন?
- কোন নাটকটি শেক্সপিয়রের 'মার্চেন্ট অব ভেনিস' এর ভাবানুবাদ?
- শাস্ত্রশিক্ষা নীতিশিক্ষা একেবারে নাই, কাজেই' -উক্তিটি কোন গল্পের?
- Fancy'র পরিভাষা কী?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- বিড়াল' রচনায় অত্যন্ত কৃপণও কখন ঘুমায় না?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- সেই অস্ত্র' কবিতায় 'অমোঘ অস্ত্র' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- পরিশীলিত রম্যরচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন-
- 'তোমাকে নয়ন ভরে দেখে নিলাম। আসুক জরা, আসুক মৃত্যু, আর ভয় করিনা।; -রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে এটি কার উক্তি?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'বোধোদয়' গ্রন্থ শুরু করেন-