কোন প্রবন্ধটি রচনার কারণে মীর মশাররফ হোসেন স্বসমাজ হতে নিগৃহীত হন?
A. বসন্তকুমারী
B. গোকুল নির্মূল আশঙ্কা
C. গো-জীবন
D. গোরাই ব্রীজ ও গৌরী সেতু
সঠিক উত্তরঃ
B.
গোকুল নির্মূল আশঙ্কা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: মীর মশাররফ হোসেন 'গোকুল নির্মূল আশঙ্কা' প্রবন্ধটি লেখার কারণে স্বসমাজ হতে নিগৃহীত হন। এটি তার সাহিত্যে এক কাল্পনিক পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. বসন্তকুমারী: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. গোকুল নির্মূল আশঙ্কা: সঠিক, এটি সঠিক প্রবন্ধ। C. গো-জীবন: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. গোরাই ব্রীজ ও গৌরী সেতু: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: 'গোকুল নির্মূল আশঙ্কা' প্রবন্ধটি লেখার কারণে মীর মশাররফ হোসেন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হন, এটি বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।
Related Questions (Any University/Year)
- যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে,' এই অংশটি কোন লেখার অর্ন্তগত?
- ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রীর নাম কি?
- শব্দ ছন্দের বিচিত্র মন্ত্র পড়িয়া মায়ালোক রচনা করে। বাক্যটি কোন রচনার অন্তভুক্ত?
- কোন উপন্যাসগুচ্ছ মহাশ্বেতা দেবীর?
- মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম সন কোনটি
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি তার কোন গ্রন্থ হতে সংকলিত হয়েছে?
- পদ্মা ভাগিরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী , আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে'। উক্তিটি কোন গল্পের/কবিতার?
- পূর্ণেন্দু দস্তিদার মৃত্যুবরণ করেন-
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- রামসুন্দর' রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের চরিত্র?
- ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় জানি' -কার রচনা?
- স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের......' শূন্যস্থানে কি বসবে?
- 'সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে।' -কবি এ পঙক্তিটি কোথায় বসে লিখেছিলেন?
- নিচের কোনটি সত্য নয়?
- “উষ্ণ উষ্ণ পাবত তহিঁ সবই সরবী বালী। মোরাঙ্গ পীছ পরিহাণ সরবী গীবত গুঞ্জরী মালী”॥- পদটির পদকর্তা-
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলো?? (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।সৈন্য-সামন্ত' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও ??মরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।লক্ষণ সেনের মতো 'অভিভূত' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অবলম্বনে 'চর্মচক্ষুকে_____না করে_____ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় কর'।
- ‘ভাটি হইতে আইল বঙ্গাল লম্বা লম্বা দাড়ি’ - এই প্রাচীন পংক্তিটি কোন কাহিনীর অন্তর্গত?
- কমলাকান্ত নেশায় বুঁদ হয়ে কী নিয়ে ভাবছিলেন?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জবড়জঙ' শব্দটির বিপরীত অর্থ কী?
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
- ঐকতান' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'বোধোদয়' গ্রন্থ শুরু করেন-
- সুভা গল্পের গোঁসাইদের ছোট ছেলের নাম কী?
- সেই অস্ত্র' কবিতার সারকথা কি?
- পাশ্চাত্যদেশে ‘জাদুঘরতত্ত্ব’ বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
- নিচের কোনটি আলাদা?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূল/মৌলিক রচনা কোনটি?
- ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- একটি ফট্রোগ্রাফ কবিতার প্রথম লাইন?
- “গাছ যদি হয় বীজের জোরে, ফল তো ধরেনা” কোন কবিতার অংশবিশেষ?
- ‘হাটে বাজারে’ গ্রন্থটি কার লেখা?
- আল মাহমুদ এর রচনা নয়-
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক কন্যার নাম কি?
- সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/