মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম সন কোনটি
A. 1847
B. 1848
C. 1849
D. 1850
সঠিক উত্তরঃ
A.
1847
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। অপশন বিশ্লেষণ: A. ১৮৪৭: সঠিক, মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম সন ১৮৪৭। B. ১৮৪৮: ভুল, এটি সঠিক বছর নয়। C. ১৮৪৯: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. ১৮৫০: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রদ্ধেয় লেখক, যিনি তাঁর সাহিত্যে সমাজের সমস্যা তুলে ধরেছিলেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘ভাটি হইতে আইল বঙ্গাল লম্বা লম্বা দাড়ি’ - এই প্রাচীন পংক্তিটি কোন কাহিনীর অন্তর্গত?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
- মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়-বেঁচে থাকলে বদলায়' সংলাপটি কোন নাটক থেকে গৃহিত?
- ঐকতান' কবিতায় মাত্রার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
- ------- আর ঘরে ঘরে চরকা ও টেকো হইলে চাষার ------- ঘুচিবে।'- শূণ্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- ভিটামিন আবিষ্কার করেন কে?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- একটি ফটোগ্রাফ' কবিতাটি কার রচনা?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও ??মরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।লক্ষণ সেনের মতো 'অভিভূত' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- কায়কোবাদ রচিত কবিতা কোনটি?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- কোন কবিতার পঙক্তি -'শিবে নত স্নেহ'- আঁখি মঙ্গল দাত্রি'?
- ‘কতো নদী সরোবর বা বাংলা ভাষার জীবনী’ কার লেখা?
- \আমি সেই ______অস্ত্রের প্রত্যাশী\- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- জীবনে জীবনে যোগ করা না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় ..........।' শূন্যস্থানে বসবে-
- নিচের কোনটি সঠিক?
- ’সাম্যবাদী’ কবিতায় কোন স্থানের উল্লেখ নেই?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জালিয়াতির চেষ্টা' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মনের ক্ষোভে কোন ধরনের গ্রন্থ পড়েন?