‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কবির চোখে কোন নদীটির পলিমাটি গলিত সোনায় মেশানো?
A. মেঘনা
B. কর্ণফুলী
C. সুরমা
D. যমুনা
সঠিক উত্তরঃ
C.
সুরমা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কবি তার দেশের ভূমি, নদী ও স্বদেশের প্রতি একটি শক্তিশালী আবেগ প্রকাশ করেছেন। প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, কবির চোখে কোন নদীটির পলিমাটি গলিত সোনায় মেশানো। অপশন বিশ্লেষণ: A. মেঘনা: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. কর্ণফুলী: ভুল, এই নদীটি এখানে উল্লেখ করা হয়নি। C. সুরমা: সঠিক, কবির চোখে সুরমার পলিমাটি গলিত সোনায় মেশানো। D. যমুনা: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: এই কবিতায় সুরমা নদীটির প্রতি কবির গভীর প্রেম এবং দেশপ্রেম অনুভূত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- সাগরকন্যা'কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
- কোনটি বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাস নয়?
- মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়-বেঁচে থাকলে বদলায়' সংলাপটি কোন নাটক থেকে গৃহিত?
- . 'লোক-লোকান্তর' কবিতার চন্দনফুল কী রকম?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক কন্যার নাম কি?
- নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- আমি জনক জননীর প্রথম সন্তান' উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- কোন ব্যক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন?
- নিচের কোনটি ভিন্ন?
- নিচের কোনটি সত্য নয়?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- রামসুন্দর' রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের চরিত্র?
- ’ডাকের বচন’ এ প্রাধান্য পেয়েছে কোনটি?
- সংসারের জ্বালা যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া । উক্তিটি যে প্রবন্ধ থেকে হয়েছে তার নাম কি?
- “উষ্ণ উষ্ণ পাবত তহিঁ সবই সরবী বালী। মোরাঙ্গ পীছ পরিহাণ সরবী গীবত গুঞ্জরী মালী”॥- পদটির পদকর্তা-
- জয়নুল সংগ্রহশালা কোন জেলায় অবস্থিত?
- মানবসৃষ্টির উপাদানগুলির মধ্যে একটি উপাদান ছিল, ইহা সুনিশ্চিত ।এ বাক্যটি কোন রচনায় আছে?