কোন নাটকটি সেলিম আল দীন লিখিত?
A. নীলদর্পণ
B. মুনতাসির ফ্যান্টাসী
C. বহুব্রীহি
D. পদ্মা-মেঘনা
সঠিক উত্তরঃ
B.
মুনতাসির ফ্যান্টাসী
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: সেলিম আল দীন একটি নাটক রচনা করেছেন, এই নাটকটির নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. নীলদর্পণ: ভুল, এটি সেলিম আল দীন রচনা করেননি। B. মুনতাসির ফ্যান্টাসী: সঠিক, এটি সেলিম আল দীন রচনা করেন। C. বহুব্রীহি: ভুল, এটি সেলিম আল দীন রচনা করেননি। D. পদ্মা-মেঘনা: ভুল, এটি সেলিম আল দীন রচনা করেননি। নোট: 'মুনতাসির ফ্যান্টাসী' সেলিম আল দীন-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক যা বাংলা নাটকশিল্পের উন্নতির অন্যতম কারণ।
Related Questions (Any University/Year)
- দুটি চোখের কোটরে কিসের রং?
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
- “অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা”। উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার ?
- শব্দ ছন্দের বিচিত্র মন্ত্র পড়িয়া মায়ালোক রচনা করে। বাক্যটি কোন রচনার অন্তভুক্ত?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলো?? (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।সৈন্য-সামন্ত' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সেই অস্ত্র' কবিতার সারকথা কি?
- নিচের কোন কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত?
- স্বদেশ' কবিতা অনুসারে \স্বদেশের যত
- ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- ঐকতান' কবিতায় কবিগুরু কী দ্বারা জ্ঞানের দীনতা পূর্ণ করতে চেয়েছেন?
- একটি তুলসি গাছের কাহিনী কার রচনা-
- যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে,' এই অংশটি কোন লেখার অর্ন্তগত?
- \নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে _____ঝরবে না\ - চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন যুদ্ধের উল্লেখ আছে?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি তার কোন গ্রন্থ হতে সংকলিত হয়েছে?
- সেই অস্ত্র' কবিতায় 'অমোঘ অস্ত্র' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নানা কবি ____ গান নানা দিক হাতে' - চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- ------- আর ঘরে ঘরে চরকা ও টেকো হইলে চাষার ------- ঘুচিবে।'- শূণ্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- সংসারের জ্বালা যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া । উক্তিটি যে প্রবন্ধ থেকে হয়েছে তার নাম কি?
- ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- পিতৃদেবকে জিজ্ঞাসিলাম, বাবা, রাস্তার ধারে শিল পোঁতা আছে কেন?' উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে \ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য\ - উক্তিটি কার?
- ‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
- অমিত ও লাবণ্য কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের......' শূন্যস্থানে কি বসবে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখান??? সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।সাদাসিধা' শব্দ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নিচের কোন সাহিত্যিক আততায়ীর হাতে মৃত্যুবরণ করেন?
- অপরাহ্নের গল্প টির শুরুতে কত সময় আগের কথা বলা হয়েছে ?
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- মার্তগুপ্রায়, অগ্নিমান্দা, উর্দি, জবাকুসুমসঙ্কাশ, তিমিরবিদারী, আলোর দেবতা প্রভৃতি শব্দ তোমার পঠিত কোন গল্প/কবিতা/প্রবন্ধে বিদ্যমান?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূল/মৌলিক রচনা কোনটি?
- জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অবলম্বনে 'চর্মচক্ষুকে_____না করে_____ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় কর'।
- সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?