’ডাকের বচন’ এ প্রাধান্য পেয়েছে কোনটি?
A. জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্ব
B. কৃষি ও আবহাওয়া
C. সামাজিক প্রেক্ষাপট
D. আদিবাসীদের জীবনচিত্র
সঠিক উত্তরঃ
A.
জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্ব
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ‘ডাকের বচন’ বইতে প্রধানত কোন বিষয়টি স্থান পেয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্ব: সঠিক, ‘ডাকের বচন’-এ এই বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। B. কৃষি ও আবহাওয়া: ভুল, এটি প্রধান বিষয় নয়। C. সামাজিক প্রেক্ষাপট: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. আদিবাসীদের জীবনচিত্র: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: ‘ডাকের বচন’ বইতে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের বিষয়ে আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- আল মাহমুদ-এর কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
- সামান্য কারণে হাত দুর্গন্ধ করিতে তিনি চান না' -উক্তিটি কোন গল্পের?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কে ছিলেন?
- নিচের কোনটি সত্য নয়?
- মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম সন কোনটি
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন যুদ্ধের উল্লেখ আছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।
- আল মাহমুদ এর রচনা নয়-
- কিণাঙ্ক শব্দটির অর্থ কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখান??? সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।সাদাসিধা' শব্দ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ঐকতান' কবিতায় কবিগুরু কী দ্বারা জ্ঞানের দীনতা পূর্ণ করতে চেয়েছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক কন্যার নাম কি?
- সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/
- নিচের কোন কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- 'তোমাকে নয়ন ভরে দেখে নিলাম। আসুক জরা, আসুক মৃত্যু, আর ভয় করিনা।; -রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে এটি কার উক্তি?