‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
A. নবান্ন
B. গ্রিণহাউজ প্রতিক্রিয়া
C. কাসেমের যুদ্ধ যাত্রা
D. পাঞ্জেরি
সঠিক উত্তরঃ
C.
কাসেমের যুদ্ধ যাত্রা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি 'কাসেমের যুদ্ধ যাত্রা' গল্প থেকে এসেছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. নবান্ন: ভুল, এটি সঠিক নয়, এই উক্তিটি 'নবান্ন' থেকে আসেনি। B. গ্রিণহাউজ প্রতিক্রিয়া: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. কাসেমের যুদ্ধ যাত্রা: সঠিক, এই উক্তিটি 'কাসেমের যুদ্ধ যাত্রা' থেকে এসেছে। D. পাঞ্জেরি: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: এ??? উক্তিটি সাহিত্যের সৌন্দর্য এবং বাস্তবতার মিশ্রণ প্রদর্শন করে।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- \আমি সেই ______অস্ত্রের প্রত্যাশী\- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- Theological lecture' কথাটি কোন রচনায় ব্যবহৃত হয়েছে?
- চাষার দুক্ষু' গল্পের বর্ণনা মতে, একদা বিহার অঞ্চলে কৃষক পত্নী কন্যা বিক্রয় করতো-
- নিচের কোনটি ভিন্ন?
- সাগরকন্যা'কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
- শিয়া সম্প্রদায়ের শিয়া শব্দটি কোন অর্থে প্রয়োগ করা হয়?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক কন্যার নাম কি?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- “গাছ যদি হয় বীজের জোরে, ফল তো ধরেনা” কোন কবিতার অংশবিশেষ?
- দুটি চোখের কোটরে কিসের রং?
- সামান্য কারণে হাত দুর্গন্ধ করিতে তিনি চান না' -উক্তিটি কোন গল্পের?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
- মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়-বেঁচে থাকলে বদলায়' সংলাপটি কোন নাটক থেকে গৃহিত?
- কোনটি বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাস নয়?
- কোন নাটকটি শেক্সপিয়রের 'মার্চেন্ট অব ভেনিস' এর ভাবানুবাদ?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নীল দর্পণ ' নাটক ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
- পরিশীলিত রম্যরচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন-