‘হাটে বাজারে’ গ্রন্থটি কার লেখা?
A. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
B. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
C. প্রথম চৌধুরী
D. অলোক রঞ্জন দাস গুপ্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'হাটে বাজারে' গ্রন্থটি একাধিক সংস্কৃতির এবং সময়ের ধারক। এই গ্রন্থটি 'বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়' এর লেখা। অপশন বিশ্লেষণ: A. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়: সঠিক, 'হাটে বাজারে' গ্রন্থটির লেখক হলেন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। B. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: ভুল, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থের লেখক নন। C. প্রথম চৌধুরী: ভুল, এটি সঠিক নয়, 'হাটে বাজারে' গ্রন্থটি তাদের লেখা নয়। D. অলোক রঞ্জন দাস গুপ্ত: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: 'হাটে বাজারে' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা, যা গ্রামীণ জীবনের সঠিক চিত্র তুলে ধরে।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- ভ্রান্তি বিলাস' কার লেখা?
- মোর ডাইনে শিশু সদ্যোজাত জরায়-মরা বামপাশে' কোন কবিতায় অংশ বিশেষ?
- মানবসৃষ্টির উপাদানগুলির মধ্যে একটি উপাদান ছিল, ইহা সুনিশ্চিত ।এ বাক্যটি কোন রচনায় আছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলো?? (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।সৈন্য-সামন্ত' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- পিতৃদেবকে জিজ্ঞাসিলাম, বাবা, রাস্তার ধারে শিল পোঁতা আছে কেন?' উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ’সাম্যবাদী’ কবিতায় কোন স্থানের উল্লেখ নেই?
- নিচের কোনটি আল মাহমুদের উপন্যাস?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- নিচের কোনটি সত্য নয়?
- স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের......' শূন্যস্থানে কি বসবে?
- বিড়াল' কোন ধরনের রচনা?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।
- কবর কবিতায় বৃদ্ধের পুত্র মারা গিয়েছল কোন মাসে?
- পদ্মা ভাগিরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী , আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে'। উক্তিটি কোন গল্পের/কবিতার?