যে সব উৎসেচক ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তারা যে উৎসেচক নামে পরিচিত-
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নএনজাইম বা উৎসেচক (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অনুবন্ধী উৎসেচক
Explanation: ATP এর সহায়তায় নতুন যৌগ উৎপন্নকারী উৎসেচককে অনুবন্ধী উৎসেচক বলা হয়। সঠিক উত্তর D। A. জারণ-বিজারণ উৎসেচক অন্য রকম কাজ করে; B. পরিবৃত্তি উৎসেচক ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়; C. আইসোমারেজ অণুর গঠন পরিবর্তন করে। নোট: অনুবন্ধী উৎসেচকের ভূমিকা জৈবপ্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: যে সব উৎসেচক ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তারা যে উৎসেচক নামে পরিচিত
উত্তর: অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase Enzyme)
অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা / সলভ:
অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase) এমন একটি এনজাইম যা ATP বা অন্য কোনও শক্তি উৎসের সাহায্যে দুইটি বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ তৈরি করে।
বিশদ ব্যাখ্যা:
- এনজাইমের নাম: লিগেজ (Ligase)
- কার্যপ্রণালী:
ATP এর মাধ্যমে শক্তি সংগ্রহ করে সাবস্ট্রেটের উপরে রিঅ্যাকশন সম্পন্ন করে বাঁধন গঠন করে। - প্রয়োগ ক্ষেত্র:
ডিএনএ সংশ্লেষণে (DNA ligation), প্রোটিন সংশ্লেষণে, এবং বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
| বিশেষতা | বর্ণনা |
|---|---|
| শক্তি উৎস | ATP বা ADP |
| অভিযান | দুটি বা ততোধিক সাবস্ট্রেটের বাঁধন গঠন |
| উদাহরণ | DNA ligase, T4 DNA ligase |
| অন্য নাম | অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase enzyme) |
সারসংক্ষেপ:
অতএব, ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ গঠনে সক্ষম এই উৎসেচকটিকে অনুবন্ধী উৎসেচক বলা হয়। এটির ব্যাবহার জীববৈচিত্র্য এবং জৈবপ্রক্রিয়ায় অপরিহার্য।
Option A Explanation:
জারণ-বিজারণ উৎসেচক
- এটি এক ধরনের এনজাইম যা ATP এর সহায়তায় কাজ করে।
- এই উৎসেচক দুটি সাবস্ট্রেটের সংযোগ বা বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রধানত, এই এনজাইমগুলি সাবস্ট্রেটের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়, ফলে নতুন যৌগ তৈরি হয়।
- অর্থাৎ, এই উৎসেচকগুলি জারণ (অর্থাৎ, নতুন যৌগ সৃষ্টি) বা বিজারণ (অর্থাৎ, বিভাজন) ক্রিয়ায় সহায়ক।
- এগুলি সাধারণত বিভিন্ন জীবপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমনঃ শক্তি উৎপাদন, কোষের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।
Option B Explanation:
পরিবৃত্তি উৎসেচক
- পরিবৃত্তি উৎসেচক হলো এমন ধরনের এনজাইম যা ATP এর সাহায্যে সক্রিয় হয়।
- এরা সাধারণত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ তৈরি করে।
- প্রধানত, এই উৎসেচকগুলো সাবস্ট্রেটের সংযোগ বা বিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
- উদাহরণস্বরূপ, পলিমারাইজেশন বা সংশ্লেষের সময় এই ধরনের এনজাইমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- এদের কার্যপ্রণালী মূলত ATP এর ফসফোরাইসন যোগ করে সক্রিয় অবস্থা তৈরি করে, যা বিক্রিয়াকে সহজ করে দেয়।
Option C Explanation:
আইসোমারেজ (Isomerase)
- সংজ্ঞা: আইসোমারেজ এমন একটি এনজাইম যা অণুর গঠন বা বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটায়, অর্থাৎ এক ধরনের আর্দ্রবিশ্লেষণ বা অর্ধবিশ্লেষণ না করে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন করে।
- মূল কাজ: এটি অণুর অভ্যন্তরীণ গঠন বা স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আনে, যেমন ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজের পরিবর্তন বা অন্যান্য আইসোমার তৈরি।
- ক্রিয়াকলাপের উদাহরণ:
- ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজ বা ফ্রুকটোজে রূপান্তর
- অক্সো-সাধারণের আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই এনজাইমের মাধ্যমে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তিত হলেও তার মৌলিক সংযোজক বা মৌলিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে।
Option D Explanation:
- অনুবন্ধী উৎসেচক: এই ধরণের উৎসেচক তার সাবস্ট্রেটের সাথে সরাসরি সংকেত বা বন্ধন গঠন করে।
- এটি সাবস্ট্রেটের সাথে অস্থায়ী বা স্থায়ীভাবে বন্ধন গঠন করে, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি পায়।
- অর্থাৎ, অনুবন্ধী উৎসেচক সাবস্ট্রেটের সাথে যুক্ত হয়ে বিক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, অ্যানজাইম বা এনজাইমের ক্ষেত্রে, তারা তাদের সাবস্ট্রেটের সাথে অনুবন্ধন করে বিক্রিয়ার গতি বাড়ায়।