কোন এনজাইম দ্বারা ডায়বেটিস রোগীর রক্তের শর্করার পরিমাণ নির্ণয় করা হয়?
SylaUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নএনজাইম বা উৎসেচক (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
অক্সিডেজ
Explanation:

Another Explanation (5):
ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের শর্করা নির্ণয়ে অক্সিডেজ এনজাইম 🧪
ভূমিকা
ডায়াবেটিস একটি জটিল রোগ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়মিতভাবে পরিমাপ করা প্রয়োজন। রক্তের শর্করা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, যার মধ্যে অক্সিডেজ এনজাইম ব্যবহার অন্যতম।অক্সিডেজ এনজাইম 🧬
অক্সিডেজ একটি বিশেষ ধরনের এনজাইম যা গ্লুকোজকে জারিত (oxidize) করে গ্লুকোনিক অ্যাসিড এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2) উৎপন্ন করে। এই হাইড্রোজেন পারক্সাইড পরবর্তীতে অন্য একটি এনজাইম, যেমন পারক্সিডেজ (Peroxidase), এর উপস্থিতিতে একটি রঙিন যৌগ তৈরি করে, যা স্পেকট্রোফটোমিটারের সাহায্যে মাপা হয়।রক্তের শর্করা নির্ণয়ে অক্সিডেজের ব্যবহার 🩸
- রক্তের নমুনা সংগ্রহ: প্রথমে রোগীর থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
- অক্সিডেজ এনজাইমের প্রয়োগ: রক্তের নমুনার সাথে অক্সিডেজ এনজাইম মেশানো হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: অক্সিডেজ এনজাইম রক্তের গ্লুকোজকে জারিত করে গ্লুকোনিক অ্যাসিড ও হাইড্রোজেন পারক্সাইড উৎপন্ন করে।
- বর্ণ উৎপাদক বিক্রিয়া: উৎপন্ন হাইড্রোজেন পারক্সাইড পারক্সিডেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে একটি বর্ণ উৎপাদক যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে রঙিন যৌগ তৈরি করে।
- পরিমাপ: স্পেকট্রোফটোমিটারের মাধ্যমে উৎপন্ন রঙিন যৌগের ঘনত্ব মাপা হয়, যা রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
সুবিধা 👍
- এটি একটি সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়। ⏱️
- খরচ তুলনামূলকভাবে কম। 💰
অসুবিধা 👎
- কিছু কিছু রাসায়নিক উপাদান ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
- সঠিকভাবে পরিমাপ না করলে ভুল ফলাফল আসতে পারে।
পদ্ধতির সারসংক্ষেপ ছকে 👇
| ধাপ | কার্যকলাপ | ফলাফল |
|---|---|---|
| ১ | রক্ত সংগ্রহ 💉 | রক্তের নমুনা |
| ২ | অক্সিডেজ মেশানো 🧪 | গ্লুকোজের জারণ |
| ৩ | বর্ণ উৎপাদন 🌈 | রঙিন যৌগ সৃষ্টি |
| ৪ | স্পেকট্রোফটোমিটার ব্যবহার 🔬 | গ্লুকোজের পরিমাণ নির্ণয় |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিয়মিত রক্তের শর্করা পরিমাপ করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন করা প্রয়োজন। 👨⚕️👩⚕️তথ্যসূত্র 📚
বিভিন্ন মেডিকেল জার্নাল ও ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।Option A Explanation:
- এমাইলেজ: এমাইলেজ একটি এনজাইম যা মুখ্যতঃ লালনকরণে নিঃসৃত হয়। এটি মূলতঃ অন্নপ্রণালী বা মুখের অন্তর্গত গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- এমাইলেজ মূলতঃ কার্বোহাইড্রেটের বিভাজন করে, বিশেষ করে স্টার্চের মা??্টোজে রূপান্তর করে।
- এটি মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক কার্যকলাপের অংশ হিসেবে কাজ করে, যাতে খাবার দ্রুত পচে যায় এবং পরবর্তী পাচনতন্ত্রে সহজে প্রবেশ করে।
- এমাইলেজের নিঃসরণ মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অন্তর্গত গ্রন্থি, যেমন সালিভারি গ্রন্থি, দ্বারা হয়।
Option B Explanation:
- লাইপেজ (Lipase): এটি একটি এনজাইম যা চর্বি বা লিপিড ভাঙ্গার জন্য দায়???।
- মূল কাজ: এটি ট্রাইগ্লিসারাইড, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লিসারলকে হাইড্রোলাইজ করে মুক্ত করে।
- অ্যাপ্লিকেশন: খাদ্যপ্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় এবং শারীরিক চর্বি পচানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রাকৃতিক উৎস: পেটে, অগ্ন্যাশয়ে এবং অন্যান্য শারীরিক তরলে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
- অক্সিডেজ: অ্যাক্টিভিটি বা এনজাইমের কার্যকলাপ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিভিন্ন যৌগ বা উপাদানের অক্সিডেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- এটি বিভিন্ন ধরণের এনজাইমের মধ্যে একটি, যা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে যৌগের অক্সিডেশন ঘটায়।
- উদাহরণস্বরূপ, সোডিয়াম বা ক্লোরাইডের অ্যানিয়নের অক্সিডেশন প্রক্রিয়া নির্ণয়ে অক্সিডেজের ব্যবহার দেখা যায়।
- এনজাইম পরীক্ষায়, অক্সিডেজের কার্যকলাপ নির্ণয় করে রোগ নির্ণয় বা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সহায়তা করা হয়।
Option D Explanation:
- ইউরোবাইলেজ (Urobilase): এটি একটি এঞ্জাইম যা ইউরোবিলিনোজেনের রূপান্তর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মূল কাজ: ইউরোবিলিনোজেনের ভেঙে ইউরিক অ্যাসিডের উৎপাদনকে সহজতর করে।
- প্রয়োগ: মেডিকেল পরীক্ষায় ইউরোবাইলেজের মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নির্ণয় করা হয়, যা গাউট বা অন্য ধরণের ইউরিক অ্যাসিড সম্পর্কিত রোগের লক্ষণ নির্ণয়ে সহায়ক।
- অন্য নাম: এই এঞ্জাইমটি কখনো কখনো ইউরোডিউনাল বা ইউরোবিলিনোজেনেজ নামে পরিচিত।