মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

শব্দ উৎসের প্রেক্ষিতে সম্পন্ন ওরিয়েন্টেশন কে কি বলা হয়?

A.

কেমোট্যাক্সিস

B.

ফটোট্যাক্সিস

C.

ফোনোট্যাক্সিস

D.

জিওট্যাক্সিস

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর আচরণট্যাক্সিস (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

ফোনোট্যাক্সিস

Explanation:

Another Explanation (5):

ফোনোট্যাক্সিস: শব্দের উৎস-ভিত্তিক অভিযোজন

ফোনোট্যাক্সিস (Phonotaxis) হলো একটি জীবের শব্দ উৎসের দিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিযোজিত হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি মূলত প্রাণীদের শব্দ সনাক্তকরণ এবং সেই অনুযায়ী স্থান পরিবর্তন করার ক্ষমতাকে বোঝায়। শব্দ ব্যবহার করে কোনো প্রাণী যখন কোনো স্থানে যায়, তখন তাকে ফোনোট্যাক্সিস বলে।

ফোনোট্যাক্সিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ 🌟

  • শব্দ উৎসের সন্ধান: 📢 কোনো প্রাণী শব্দের উৎস খুঁজে বের করে।
  • দিক নির্ণয়: 🧭 শব্দের দিক সনাক্ত করে সেই দিকে অগ্রসর হওয়া।
  • সাড়া প্রদান: 👂 শব্দ শোনার পরে উপযুক্ত শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানো।
  • যোগাযোগ: 🗣️ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।

ফোনোট্যাক্সিসের প্রকারভেদ 🐾

  1. ইতিবাচক ফোনোট্যাক্সিস: 👍 শব্দের উৎসের দিকে যাওয়া (যেমন: শিকারের শব্দ)।
  2. নেতিবাচক ফোনোট্যাক্সিস: 👎 শব্দের উৎস থেকে দূরে সরে যাওয়া (যেমন: শিকারীর শব্দ)।

বিভিন্ন প্রাণীতে ফোনোট্যাক্সিসের উদাহরণ 🐸🦉🦋

প্রাণী শব্দের উৎস ফোনোট্যাক্সিসের ব্যবহার
ব্যাঙ 🐸 স্ত্রী ব্যাঙের ডাক পুরুষ ব্যাঙ স্ত্রী ব্যাঙের দিকে যায় প্রজননের জন্য।
পেঁচা 🦉 ইঁদুরের শব্দ পেঁচা ইঁদুরের শব্দ অনুসরণ করে শিকার ধরে।
পতঙ্গ 🦋 সঙ্গীর শব্দ সঙ্গী খুঁজতে পুরুষ পতঙ্গ স্ত্রী পতঙ্গের শব্দ অনুসরণ করে।

ফোনোট্যাক্সিসের গুরুত্ব 🎯

  • খাদ্য অন্বেষণ 🍔
  • শিকারীর হাত থেকে রক্ষা 🏃‍♀️
  • প্রজনন 🐣
  • যোগাযোগ স্থাপন 💬

ফোনোট্যাক্সিস একটি জটিল প্রক্রিয়া যা প্রাণীদের জীবন ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এবং জীবনচক্র স্বাভাবিক রাখতে এর ভূমিকা অপরিহার্য।

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া

আশা করি, ফোনোট্যাক্সিস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  1. কেমোট্যাক্সিস (Chemotaxis): এটি একটি জীবের সঙ্গতিপূর্ণ প্রক্রিয়া যেখানে তারা রাসায়নিক সিগন্যালের প্রতিক্রিয়ায় দিক পরিবর্তন করে পরিবেশে চলাচল করে।
  2. প্রধানত, এটি জীবের রাসায়নিক সূচক বা সংকেতের প্রতি সংবেদনশীলতা নির্দেশ করে, যেমন খাদ্য বা বিপজ্জনক উপাদানের উপস্থিতি।
  3. উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়া খাদ্যসূত্রের দিকে বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের থেকে দূরে চলে যায় বলে এটি কেমোট্যাক্সিসের প্রমাণ।
  4. এই প্রক্রিয়ায় জীবের শরীরের বিশেষ রিসেপ্টর বা সেন্সর রাসায়নিক সংকেতগুলো শনাক্ত করে এবং তার ভিত্তিতে চলাচলের দিক নির্ধারণ করে।
  5. কেমোট্যাক্সিসের সাহায্যে জীবেরা তাদের পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম হয় এবং খাদ্য সংগ্রহ বা বিপদ থেকে রক্ষা পায়।
Option B Explanation:
  1. ফটোট্যাক্সিস হল একটি প্রকারের জৈবিক প্রতিক্রিয়া যেখানে কোনও জীবের চলাচল বা অবস্থান নির্ভর করে আলোর দিক বা উজ্জ্বলতার উপর।
  2. এটি সাধারণত উদ্ভিদ, অণুজীব বা অন্যান্য জীবের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে তারা আলোর উৎসের দিকে বা থেকে দূরে চলে যায়।
  3. উদাহরণস্বরূপ, কিছু অণুজীব আলোর দিক অনুসারে তাদের চলাচল করে, যা তাদের জন্য উপকারী বা রক্ষা করার জন্য হতে পারে।
  4. ফটোট্যাক্সিসের মাধ্যমে জীবগুলো পরিবেশের আলোর পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয় এবং তাদের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
Option C Explanation: ফোনোট্যাক্সিস ব্যাখ্যা

ফোনোট্যাক্সিস (Phototaxis) এর ব্যাখ্যা

  • অর্থ: ফোনোট্যাক্সিস হলো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে জীবজন্তু বা অণুজীব আলো বা আলোর উৎসের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তার দিক পরিবর্তন করে।
  • প্রকার: এটি একটি ডাইরেকটিভ ট্যাক্সিস, যেখানে জীবজন্তু আলোর দিক অনুসারে চলাচল করে।
  • উদাহরণ: কিছু ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব যখন আলোর উৎসের দিকে বা থেকে দূরে চলাচল করে, তখন তা এই প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
  • প্রভাব: আলোর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি জীবের চলাচলের দিশা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং জীবের জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
Option D Explanation:
  • জিওট্যাক্সিস (Geotaxis): এটি একটি প্রাণীর বা উদ্ভিদের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে তারা ভূগর্ভস্থ বা ভূত্বকের প্রভাবের কারণে নির্দিষ্ট দিকের দিকে চলাচল করে।
  • প্রকারভেদ:
    • পজিটিভ জিওট্যাক্সিস: যখন প্রাণী বা উদ্ভিদ ভূ-প্ররোচনায় ভূগর্ভের দিকে বা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে চলাচল করে।
    • নেগেটিভ জিওট্যাক্সিস: ভূ-প্ররোচনাকে এড়িয়ে বা বিপরীত দিকে চলাচল করে।
  • উদাহরণ:
    • শুঁয়োপোকারা মাটির মধ্যে গভীরভাবে প্রবেশ করে।
    • কিছু উদ্ভিদ মাটির দিকে বৃদ্ধি পায়।