n-type অর্ধ পরিবাহী তৈরি করতে কোন ধরনের অপদ্রব্যের প্রয়োজন?
RUUnit-CSet-2পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্সএন ও পি টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ও ডায়োড (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
পঞ্চযোজী
Explanation:

Another Explanation (5):
N-Type অর্ধপরিবাহী তৈরিতে পঞ্চযোজী অপদ্রব্য ⚛️
N-type অর্ধপরিবাহী তৈরি করার জন্য মূলত পঞ্চযোজী (Pentavalent) অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। পঞ্চযোজী মানে হলো ঐ সকল মৌলের সর্বশেষ কক্ষপথে ৫টি ইলেকট্রন থাকে।
পঞ্চযোজী অপদ্রব্য ব্যবহারের কারণ 🤔:
- অতিরিক্ত ইলেকট্রন ➕: পঞ্চযোজী অপদ্রব্য, যেমন - ফসফরাস (P), আর্সেনিক (As), অ্যান্টিমনি (Sb) ইত্যাদি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর (যেমন - সিলিকন Si) সাথে মেশানো হলে, তারা সিলিকনের ক্রিস্টাল স্ট্রাকচারে সিলিকনের একটি পরমাণুকে প্রতিস্থাপন করে।
- মুক্ত ইলেকট্রনের সৃষ্টি ➡️: পঞ্চযোজী পরমাণুর ৫টি ইলেকট্রনের মধ্যে ৪টি সিলিকনের চারটি পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond) তৈরি করে। ফলে একটি ইলেকট্রন অতিরিক্ত বা মুক্ত (Free) থেকে যায়।
- পরিবাহিতা বৃদ্ধি ⚡: এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই মূলত বিদ্যুৎ পরিবহনে অংশ নেয়। যেহেতু এখানে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাই একে N-type (Negative type) অর্ধপরিবাহী বলা হয়।
কিছু পঞ্চযোজী অপদ্রব্যের উদাহরণ 📝:
- ফসফরাস (P) 🧪
- আর্সেনিক (As) ☢️
- অ্যান্টিমনি (Sb) ⚗️
- বিসমাথ (Bi) 🌡️
N-Type অর্ধপরিবাহী তৈরির প্রক্রিয়া ⚙️:
N-type অর্ধপরিবাহী তৈরির প্রক্রিয়াটি সাধারণত ডোপিং (Doping) নামে পরিচিত। ডোপিং এর মাধ্যমে খুব অল্প পরিমাণে পঞ্চযোজী অপদ্রব্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে মেশানো হয়।
ডোপিং এর প্রকারভেদ 📊:
| ডোপিং পদ্ধতি | বর্ণনা |
|---|---|
| ডিফিউশন (Diffusion) | উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় অপদ্রব্য অর্ধপরিবাহীর উপর ছড়িয়ে দেওয়া হয়। |
| আয়ন ইমপ্লান্টেশন (Ion Implantation) | আয়নিত অপদ্রব্যকে উচ্চ শক্তি দিয়ে অর্ধপরিবাহীর মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। |
পরিশেষে বলা যায়, N-type অর্ধপরিবাহী তৈরিতে পঞ্চযোজী অপদ্রব্যের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অর্ধপরিবাহীর পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 👍