গ্রিন কেমেস্ট্রির নীতিমালা অনুসরন করে কোন একটি কারখানায় উৎপাদনে 'E' ফ্যাক্টর (Environmental factor) 0.02 ধার্য করা হলো। কারখানাটির দৈনিক প্রয়োজনীয় উৎপাদন 50 টন হলে বর্জ্য উৎপাদন সীমা দৈনিক কত?
SUSTUnit-Aরসায়ন প্রথম পত্ররাসায়নিক পরিবর্তনরাসায়নিক বিক্রিয়া ও গ্রিন কেমিস্ট্রি (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
1
Explanation: Solve: \( 'E' \, \text{ফ্যাক্টর} = \frac{\text{বর্জ্য}}{\text{উৎপাদ}} \implies 0.02 = \frac{\text{বর্জ্য}}{50}\)
\(\therefore \text{বর্জ্য} = 0.02 \times 50 = 1 \, \text{Ton}\)
Ans. (C)
Another Explanation (5):
গ্রিন কেমিস্ট্রির নীতি অনুযায়ী, E ফ্যাক্টর হলো কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের তুলনায় উৎপন্ন বর্জ্যের অনুপাত। 🤔
E ফ্যাক্টর = \( \frac{\text{উৎপন্ন বর্জ্যের পরিমাণ}}{\text{উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ}} \)
এখানে,
E ফ্যাক্টর = 0.02
উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ = 50 টন
সুতরাং, উৎপন্ন বর্জ্যের পরিমাণ = E ফ্যাক্টর × উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ
= 0.02 × 50 টন
= 1 টন 🥳
অতএব, কারখানাটির দৈনিক বর্জ্য উৎপাদনের সীমা 1 টন। ✅