নিম্নের কোনটি ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ?

ডায়াচৌম্বক পদার্থ: তামা
ডায়াচৌম্বক পদার্থসমূহ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে সামান্য বিকর্ষিত হয়। এদের চৌম্বকীয় ভেদ্যতা (magnetic permeability) ১ এর চেয়ে সামান্য কম। ডায়াচৌম্বক পদার্থে কোনো স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক (magnetic moment) থাকে না।
তামা কেন ডায়াচৌম্বক? 🤔
তামার পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো এমনভাবে বিন্যস্ত থাকে যে, এদের স্পিন এবং কক্ষীয় গতির কারণে সৃষ্ট চৌম্বকীয় ভ্রামকগুলো একে অপরকে প্রশমিত করে দেয়। ফলে, সামগ্রিকভাবে তামার পরমাণুর কোনো স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক থাকে না। যখন একটি বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা হয়, তখন ইলেকট্রনগুলোর মধ্যে সামান্য পরিবর্তন ঘটে, যা একটি দুর্বল বিপরীত চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই কারণে তামা ডায়াচৌম্বক পদার্থ হিসেবে আচরণ করে।
ডায়াচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয় 😒।
- চৌম্বকীয় ভেদ্যতা ১ এর চেয়ে কম 📉।
- স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক নেই 🚫।
- তাপমাত্রা বাড়লে চুম্বকত্ব হ্রাস পায় 🔥।
অন্যান্য ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ:
- বিস্মাৎ (Bismuth)
- রূপা (Silver)
- সোনা (Gold)
- পানি (Water) 💧
- নাইট্রোজেন (Nitrogen)
ডায়াচৌম্বক, প্যারাম্যাগনেটিক ও ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের মধ্যে তুলনা:
| বৈশিষ্ট্য | ডায়াচৌম্বক | প্যারাম্যাগনেটিক | ফেরোম্যাগনেটিক |
|---|---|---|---|
| চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাব | বিকর্ষিত ➡️ | আকর্ষিত ⬅️ | strongly আকর্ষিত 🧲 |
| চৌম্বকীয় ভেদ্যতা | < 1 | > 1 | অনেক বেশি >> 1 |
| স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক | নেই ❌ | আছে 👍 কিন্তু দুর্বল | আছে 👍 এবং শক্তিশালী |
| উদাহরণ | তামা, পানি 🧪 | অ্যালুমিনিয়াম, অক্সিজেন 💨 | লোহা, নিকেল 🔩 |
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: তামা (Copper)। ✅
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊