মোতালেব সরকার তার বাড়ির একটা দামি শোপিস ভেঙে ফেলায় পরিচারিকা সুরমার মাসিক বেতন পুরোটা কেটে রেখেছে। সুরমা অনেক কান্নাকাটি এবং অনুনয় করেছে যেন বেতনের পুরোটা কেটে রাখা না হয়। কিন্তু মোতালেব সরকার তার সিদ্ধান্তে অটল।
উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'অপরিচিতা' গল্পের কোন মানসিকতার ধারক?
A.
সর্বত্রই তিনি বুদ্ধির লড়াইয়ে জিতিবেন,
B.
আমাদের সংসারের এই জেদ
C.
তিনি এক কড়াও ঠকিবেন না
D.
কথাবার্তায় কোথাও তিনি কিছু ফাঁক রাখেন নাই
সঠিক উত্তরঃ
C.
তিনি এক কড়াও ঠকিবেন না
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোন শব্দগুচ্ছের বানান অশুদ্ধ?
- বিভার বাবা আলম সাহেব অল্প বেতনে চাকরি করলেও মেয়েকে তিনি শিক্ষিত করেছেন। বিয়ের কথা পাকা হওয়ার দিন পাত্রপক্ষ বিপুল অঙ্কের যৌতুক দাবি করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সেইসাথে অবাক হন পাত্র কৌশিকের মৌনরূপ দেখে। বিভা তাই তার বাবাকে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে অর্থ নেয়, সে ছেলের কাছে আমি কখনোই সম্মান পাব না।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- "অপরাচিতা গল্পের কথক চরিত্র কে?
- শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- উচ্চশিক্ষিত ও আধুনিক জীবনবোধসম্পন্ন মেয়ে অরুনিমা। সে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কয়েকবার বিয়ের সম্বন্ধ এলেও পাত্রপক্ষের বিভিন্ন শর্ত শুনে বিয়েতে রাজি হয়নি অরুনিমা। একদিন অরুনিমার বাবা তাকে বিয়ের জন্য একজন ভালো পাত্রের কথা জানালেন। তখন অরুনিমা বলল, 'আমি সমাজের নারীদের জন্য কিছু করতে চাই, এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।'উদ্দীপকের অরুনিমা আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নারীসমাজের 'স্বপ্নদ্রষ্টা- 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব্যক্তিত্বের আলোকে' মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- 'অলঙ্কার' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতার শ্যামলা মেয়ে খাদিজা বহু কষ্টে বড় হয়েছে। বিয়েতে বাবা বড় আয়োজন করতে পারেনি। পরবর্তীতে সে নিজ চেষ্টায় অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করলেও গায়ের রং ও বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে এখনও শ্বশুরবাড়িতে কথা প্রসঙ্গে নানা কটু কথার সম্মুখীন হতে হয়।উদ্দীপকটিতে 'অপরিচিতা' গল্পের মূল বক্তব্য কতটা প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।
- 'রেইনকোট' গল্পে 'আন অথারাইজড কনস্ট্রাকশন'বলতে বুঝানো হয়েছে—
- রবীন্দ্রনাথ কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ রচিত–
- রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি না করতে পারার কারণ হলো-অন্যের নিকট হাত পাতাচাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেওয়া রিজার্ভ সম্পদ না থাকানিচের কোনটি সঠিক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় যে গাভির পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- বিনুদাদা অনুপমের কেমন ভাই?
- 'রক্তকবরী' কোন ধরনের রচনা?
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- গগন হরকরার সঙ্গে কার ভাব সম্পর্কটি আমাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ?
- প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ নয়?
- 'যাহা লয়ে ছিনু ভুলে'- এ চরণে কী ফুটে উঠেছে?
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা” কি?
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- "অপরিচিতা গল্পটি" কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপরিচিতা গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশ হয়?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলে অভিহিত করা হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন রচনাটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
- ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি-
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'উদ্দীপকের সঞ্জয় 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? বুঝিয়ে দাও।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।'উদ্দীপকের গৌরীশংকর বাবুর ভূমিকা যদি শম্ভুনাথ বাবুর মতো হতো, তাহলে হয়তো হৈমন্তীকে অকালে চলে যেতে হতো না।'-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- অনুপমের কাছে চিরকাল বড়ো সত্য কী?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।উদ্দীপকের 'সবিতা' ও 'অপরিচিতা' গল্পের 'কল্যাণী' উভয়েই যৌতুকের শিকার।"- মন্তব্যটি -বিশ্লেষণ করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।"উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।"-মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- মোহাম্মদ আরিফ বড়ো চাকরি করেন। মধ্যবিত্ত বাবার একমাত্র মেয়ে আনিশার সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হলো। পাত্রপক্ষ নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণের অলংকার যৌতুক হিসেবে চাইল। এমন পাত্র হাতছাড়া করা ঠিক হবে না ভেবে অসহায় পিতা রাজি হলেন।"উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের আংশিক ভাবকে প্রতিফলিত করে।"- বিশ্লেষণ করো।