এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।
"চির উন্নত মম শির' উক্তিটিতে প্রকাশিত আদর্শবোধই উদ্দীপকের ইমাম হোসেনের মাঝে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
- অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার প্রকাশ 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন চরণটি?
- কবি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা কোনটি?
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ভীম শব্দের অর্থ কী?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প কোনটি?
- নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
- "শির নেহারি' আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির।"- এখানে মূলত কী প্রকাশ পেয়েছে?
- “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” কে এই দামাল ছেলে?
- 'হয় ধান নয় প্রাণ' এ শব্দেসারাদেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- 'ভাঙাঘর, ফাঁকা, ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালো, হে মহা মানব, এখানে শুকনো পাতায় আগুন জ্বালো।' উদ্দীপকে বিদ্রোহী কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন হয়েছে?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বলেও আসছে হেসেমধুর হেসে।ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার সমগ্র দিক ফুটে উঠেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য কোন দিক থেকে?- ব্যাখ্যা করো।
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- “রাজবন্দীর জবানবন্দীর" রচিয়তা -
- আমি যুগে যুগে । আসি, আসিয়াছি পুনঃমহাবিপ্লব হেতুএই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।সাত সাতশ নরকজ্বালা জ্বলে মম ললাটে।মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-তাপ হাহাকার আর মর্ত্যে সাহারা-গোবি ছাপ আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- কবি নিজেকে মহাপ্রলয়ের নটরাজ বলেছেন কেন?