'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?
A.
১৯২১ সাল
B.
১৯২২ সাল
C.
১৯২৩ সাল
D.
১৯২০ সাল
সঠিক উত্তরঃ
B.
১৯২২ সাল
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি কাকে ছাড়া আর কাউকে কুর্নিশ করেন না?
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে পরিচয় দিয়েছে?
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেন?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।এমন সাদৃশ্যে যে ভাবটি মূর্তমান-
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কাকে খ্যাপা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
- ‘চির উন্নত মম শির'— কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে লাইনটির ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়-
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য; পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করতেচান কেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।প্রমাণ করো যে, উদ্দীপকের চেয়ে 'বিদ্রোহী' কবিতার ব্যাপ্তি অনেক বেশি।
- 'আমি অনিয়ম ও উশৃঙ্খল ' এই আমি কে?
- ঊষার দুয়ারে হানি আঘাতআমরা আনিব রাঙা প্রভাতআমরা টুটাব তিমির রাতবাধার বিন্ধ্যাচল।উদ্দীপকটি কোন কবিতার ভাব ধারণ করে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- “বিদ্রোহী" কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে কোন সালে?
- ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্হে সংকলিত প্রথম কবিতা–
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বলেও আসছে হেসেমধুর হেসে।ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার সমগ্র দিক ফুটে উঠেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- “শির নেহারি আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির।”—চরণটিতে মূলত কী প্রকাশ পেয়েছে?
- 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’- কে স্বরণ করেছেন কেন?
- কবি নিজেকে মহাপ্রলয়ের নটরাজ বলেছেন কেন?
- কবি নিজেকে কার কঠোর কুঠারের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ‘এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশির আর হাতে রণ-তুর্য এখানে কবির কোন সত্তাটি প্রকাশিত হয়েছে?
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে বিদ্রোহী কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
- 'অন্যায়ের কাছে নত নয় শিরভয়ে কাঁদে কাপুরুষ, লড়ে যার বীর।' উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ফুটে ওঠা দিকটি হলো-দেশপ্রেমবীরত্বউচ্চাকাঙ্ক্ষানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে কাজী নজরুল ইসলামকেসপরিবার স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ওজাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।"চির উন্নত মম শির' উক্তিটিতে প্রকাশিত আদর্শবোধই উদ্দীপকের ইমাম হোসেনের মাঝে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবিকে রুষে উঠেতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?
- কবি নিজেকে 'অবমানিতের মরম বেদনা' বলেছেন কেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ—
- 'বিদ্রোহী' কবিতার নত শিরের সঙ্গে কীসের সম্পর্ক রয়েছে?
- নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?