কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?
A. আগমনী
B. কোরবানী
C. প্রলয়োল্লাস
D. বিদ্রোহী
সঠিক উত্তরঃ
C.
প্রলয়োল্লাস
Explanation: ১৯২২ সালে প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থে ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। যথা- প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী, ধূমকেতু, কামাল পাশা, আনোয়ার, রণভেরী, সাত-ইল-আরব, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী ও মোহররম।
Related Questions (Any University/Year)
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।উদ্দীপকের আত্মজাগরণের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের জাগরণের তুলনা করো।
- ‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল রচিত একটি-
- 'হয় ধান নয় প্রাণ' এ শব্দেসারাদেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা 'বিদ্রাহী' কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কি?
- “শির নেহারি আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির।”—চরণটিতে মূলত কী প্রকাশ পেয়েছে?
- মহানির্বাণ' কী?
- ইন্দ্রানী-সুতের হাতে কী ছিল?
- কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ'!___ ব্যাখ্যা করো।
- "এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান"। কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করেছিলেন?
- অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার প্রকাশ 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন চরণটি?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যর অন্তর্ভুক্ত?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দীর" রচিয়তা -
- কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কাকে খ্যাপা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় নিচের কোনটি সৃষ্টির ধ্বংসকালকে নির্দেশ করে?
- কবি নিজেকে 'পরশুরামের কঠোর কুঠার' বলেছেন কেন?
- শির নেহারি আমারি, নতশির ওই, শিখারি হিমাদ্রির।- এখানে মূলত কী নতশির ওই শিখর প্রকাশ পেয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবিকে রুষে উঠেতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?
- নিচের কোন রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে কারাবরণ করতে হয়-
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় 'অর্ফিয়াস' এর পিতা কে ছিলেন?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।"উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি একই সূত্রে গাঁথা।"- বিশ্লেষণ করো।
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- শিউলিমালা কাজী নজরুলের-
- আমি যুগে যুগে । আসি, আসিয়াছি পুনঃমহাবিপ্লব হেতুএই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।সাত সাতশ নরকজ্বালা জ্বলে মম ললাটে।মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-তাপ হাহাকার আর মর্ত্যে সাহারা-গোবি ছাপ আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই বড়াই যে মোরে করেছে পর।যে মোরে করিল পথের বিবাগী-পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,দীঘল রজনী তার ত???ে জাগি' ঘুম যে হরেছে মোর;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তর ঘর।উদ্দীপকের কবির বক্তব্য বিষয়ের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার বৈশাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ?
- কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয়?
- লেনিন ভেঙেছে রুশে জনস্রোতে অন্যায়ের বাঁধ, অন্যায়ের মুখোমুখি লেনিন প্রথম প্রতিবাদ।' উদ্দীপকের চরণদ্বয় 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন?
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?
- ভীম শব্দের অর্থ কী?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাশরী আর হাতে রণ-তূর্য'- পঙক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?
- ঊষার দুয়ারে হানি আঘাতআমরা আনিব রাঙা প্রভাতআমরা টুটাব তিমির রাতবাধার বিন্ধ্যাচল।উদ্দীপকটি কোন কবিতার ভাব ধারণ করে?
- ‘দোলন-চাঁপা’ কাব্যগ্রন্হটি রচনা করেছেন-