মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

যুগ্ম প্রোটিন এর অপ্রোটিন অংশ কোন ধাতব পদার্থ হলে তাকে কি বলে? 


A.

কো-ফ্যাক্টর 

B.

কো-এনজাইম 

C.

অ্যাপো-এনজাইম 

D.

সাব-স্ট্রেট

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নএনজাইম বা উৎসেচক (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

কো-ফ্যাক্টর 

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

যুগ্ম প্রোটিন এবং কো-ফ্যাক্টর

যুগ্ম প্রোটিন হলো এমন প্রোটিন যার মধ্যে প্রোটিন অংশের সাথে একটি অপ্রোটিন অংশও যুক্ত থাকে। এই অপ্রোটিন অংশটিকে প্রোস্থেটিক গ্রুপ (Prosthetic group) বলা হয়। যখন এই প্রোস্থেটিক গ্রুপ কোনো ধাতব পদার্থ হয়, তখন তাকে কো-ফ্যাক্টর (Co-factor) বলে। 🧑‍🔬

কো-ফ্যাক্টরের প্রকারভেদ

বিভিন্ন ধরনের কো-ফ্যাক্টর দেখা যায়। এদের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূ???্ণ প্রকার নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. ধাতব আয়ন (Metal ions): যেমন - লোহা (Fe), তামা (Cu), জিঙ্ক (Zn), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) ইত্যাদি। 🧪
  2. কো-এনজাইম (Coenzymes): এগুলো জৈব অণু যা এনজাইমের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে। যেমন - ভিটামিন। 💊

কো-ফ্যাক্টরের কাজ

  • এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। 🚀
  • বিক্রিয়া সম্পাদনে সাহায্য করে। ⚙️
  • প্রোটিনের গঠন স্থিতিশীল রাখে। 🧱

উদাহরণ

হিমোগ্লোবিন একটি যুগ্ম প্রোটিন। এর মধ্যে হিম (heme) নামক একটি প্রোস্থেটিক গ্রুপ থাকে, যেখানে লোহা (Fe) নামক ধাতব আয়ন বিদ্যমান। এই লোহা অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে। 🩸

কো-ফ্যাক্টর সম্পর্কিত তথ্য সারণী

কো-ফ্যাক্টর ধাতব পদার্থ কাজ উদাহরণ
হিম (Heme) লোহা (Fe) অক্সিজ??ন পরিবহন হিমোগ্লোবিন
সাইটোক্রোম অক্সিডেজ তামা (Cu) এবং লোহা (Fe) ইলেকট্রন পরিবহন শ্বসন প্রক্রিয়া
কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ জিঙ্ক (Zn) কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন রক্তরস

আশা করি, যুগ্ম প্রোটিনের অপ্রোটিন অংশ ধাতব পদার্থ হলে তাকে কেন কো-ফ্যাক্টর বলা হয়, তা তোমরা বুঝতে পেরেছ। 👍

আরও জানতে 👇

উইকিপিডিয়া

ধন্যবাদ! 🙏

```
Option A Explanation:
কো-ফ্যাক্টর
  • একটি অপ্রোটিন উপাদান যা এনজাইমের কার্যকারিতাকে সহায়তা করে।
  • সাধারণত ধাতব আয়ন বা জৈব রাসায়নিক পদার্থ হতে পারে।
  • এনজাইমের সক্রিয় স্থানকে সক্রিয় করে বা উপাদানের স্থিতিস্থাপকতা পরিবর্তন করে কার্যক্রমে সহায়তা করে।
  • কো-ফ্যাক্টর অপরিহার্য, কারণ ছাড়া কিছু এনজাইমের কাজ সম্পন্ন হয় না।
Option B Explanation:
কো-এনজাইম (Co-enzyme):
  • একটি জৈব রাসায়নিক উপাদান যা এনজাইমের কার্যকলাপে সহায়তা করে।
  • এটি সাধারণত একটি জৈব মৌলিক পদার্থ, যেমন ভিটামিন বা তার সংশ্লেষিত রূপ।
  • অপ্রোটিন অংশ হিসেবে কাজ করে এবং এনজাইমের সক্রিয়তা বৃদ্ধি করে।
  • এটি এনজাইমের সক্রিয় কেন্দ্রে যোগ দিয়ে substrate এর সাথে যোগসূত্র স্থাপন করে।
  • প্রধানত, কো-এনজাইমগুলি এনজাইমের কার্যকলাপ চালানোর জন্য অপরিহার্য।
Option C Explanation:

অ্যাপো-এনজাইম

  • অ্যাপো-এনজাইম হলো একটি প্রোটিন অংশ যা একটি এঞ্জাইমের মূল কাঠামো।
  • এটি সাধারণত অপ্রোটিন অংশ বা ধাতব ধাতব উপাদান দ্বারা সংযুক্ত হয়।
  • এই অপ্রোটিন অংশটি ধাতব ধাতব উপাদানের সাথে সংযুক্ত হয়ে সক্রিয় এঞ্জাইমে পরিণত হয়।
  • সাধারণত এই ধাতব উপাদানগুলো কো-ফ্যাক্টর বা কো-এনজাইম হিসেবে কাজ করে।
  • অ্যাপো-এনজাইমের সাথে ধাতব উপাদান যুক্ত হয়ে কার্যক্ষম এঞ্জাইম গঠিত হয়, যা বিভিন্ন জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
Option D Explanation:
  • সাব-স্ট্রেট: এটি এমন একটি পদার্থ বা যৌগ যা একটি রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার জন্য এনজাইমের দ্বারা সংশ্লেষিত হয় বা পরিবর্তিত হয়।
  • এটি সাধারণত রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার শুরু বা শেষ পয়েন্টে উপস্থিত থাকে এবং এনজাইমের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে পণ্য বা অন্য উপাদানে রূপান্তরিত হয়।
  • প্রোটিনের সাথে এটি নির্দিষ্ট সংযোগ স্থাপন করে প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন করে।
  • সাধারণত এটি ছোট আকারের জৈব যৌগ বা অজৈব যৌগ হতে পারে।