'যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'- কথাটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
A. অপরিচিতা
B. আমার পথ
C. মানব-কল্যাণ
D. রেইন কোট
সঠিক উত্তরঃ
B.
আমার পথ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সবচেয়ে বড় দাসত্ব কোনটি?
- ‘ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।'- উক্তিটি কার ও কোন রচনার?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- ফুলমনি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'নবি তাকে একখানা কুড়াল কিনে দিয়ে বলেছিলেন, এটি দিয়ে তুমি বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা রোজগার কর গে।"- এই প্রসঙ্গ দ্বারা আবুল ফজল কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- যৌবনর গান কী ধরনের সাহিত্য কর্ম ?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি কোন রচনার?
- যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান। উদ্ধৃতি টি কার?
- আমার পথ' প্রবন্ধটিতে কীভাবে আত্মনির্ভরতার কথা বলা হয়েছে?
- বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে , মিথ্যাকে , মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক -
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- ‘আমি কমবক্তার দলে’ কার উক্তি?
- আপনার সত্যকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা–
- গীতগোবিন্দ' রচিত হয় কোন আমলে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- 'আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে'-উক্তিটিতে 'দৃষ্টিভঙ্গি' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- ‘আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব’- এর লেখকঃ
- "আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম গান্ধীজি আছেন।" 'আ??ার পথ গল্পে এই উক্তি দ্বারা কাজী নজরুল ইসলাম কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?