'জীবন বন্দনা' কবিতার মূল ভাব-
A. উদ্ধতশির ব্যক্তির জয়গান
B. যৌবন শক্তির জয়গান
C. চঞ্চলমতিদের জয়গান
D. ভীম-রণ ভূমে যুদ্ধরতদের জয়গান।
E. বিদ্রোহীর জয়গান
সঠিক উত্তরঃ
B.
যৌবন শক্তির জয়গান
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সাম্যবাদী' কবিতার অন্যতম দিক-
- ”রঙ্গিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।” পঙ্গক্তিটির আগের পঙ্গক্তি
- 'কবর' কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল -
- 'মার্জার' অর্থ কী?
- 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে 'নাকের দড়ি' শব্দবন্ধ কি অর্থে ব্যবহৃর হয়েছে?
- কোনটি সেলিম আল দীনের নাটক নয়?
- ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- ‘শিবমন্দির’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- বর্তমান বিশ্বের অগ্রগতি নির্ভর করে কৃষকের তথা কৃষিরঅগ্রযাত্রার ওপর |উক্ত সাদৃশ্যের ভিত্তিতে প্রবন্ধটির উল্লেখযোগ্য বিষয় - কৃষিকাজের প্রতি গুরুত্বারোপকৃষককে দায়িত্বশীলকরণকৃষকের অবস্থার উন্নয়ননিচের কোনটি সঠিক?
- "মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক"- ব্যাখ্যা করো।
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।"উদ্দীপকের চেতনা ও 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের চেতনা সামগ্রিক দৃষ্টিতে এক নয়"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- সাত ভাই চম্পা কবিতাটির রচয়িতা-
- সম্প্রতি চিতলমারী গ্রামের অনেক উন্নতি হয়েছে- পাকা রাস্তা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ডিশ অ্যান্টেনা মাঝে মাঝে দুই-চারটি পাকা বাড়িও চোখে পড়ে। কিন্তু কৃষিনির্ভর মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আগে যারা খেয়ে পরে বছরে দুবিঘা জমি কিনত, এখন বছর শেষে শূন্য। ওই গ্রামের করিম মাস্টার বললেন, 'উন্নতি হবে কেমন করে, এখন তো সবাই সাহেব। আহার, বিশ্রাম, আড্ডা, ভ্রমণ আর হিংসা-দলাদলি নিয়ে মানুষ এখন ব্যস্ত।'উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রাম 'চাষার দুক্ষু' রচনায় বর্ণিত কোন শহরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? তুলনার যৌক্তিকতা তুলে ধরো।
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের অনিতা 'বিড়াল' প্রবন্ধের কোন শ্রেণিকে স্মরণ করিয়ে দেয়-ব্যাখ্যা করো।
- 'জেন্দা' একটি-
- 'কবিতা'কে কবি কী বলে অভিহিত করেছেন?
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' একটি ?
- টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, অপারেশন, ইনজেকশন ইত্যাদিকে যে সভ্যতার নিদর্শন বলে না সে রোকেয়া সাখাওয়াতহোসেন এর বিবেচনায়-
- 'এ কথা লইয়া ভাবীসাব মােরে তামাশা করিত শত’ -কী কথা নিয়ে?
- সওগাদ' শব্দের অর্থ-