নিচের কোন শ্রেণির মাছ জীবিত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত?
RUUnit-FSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
সারকোপটেরিজিআই
Explanation:

Another Explanation (5):
সারকোপটেরিজিআই: জীবিত জীবাশ্ম 🐠
সারকোপটেরিজিআই (Sarcopterygii) নামক মাছের শ্রেণিটি জীবিত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত। এদের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য এবং এই নামকরণের কারণ নিচে আলোচনা করা হলো:
সারকোপটেরিজিআইদের বৈশিষ্ট্য 📝
- পাখনা: এদের পাখনাগুলি মাংসল এবং লোব-যুক্ত। এই গঠন স্থলজ মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 🦵
- অভ্যন্তরীণ নস্ট্রিল: কিছু সারকোপটেরিজিয়াই মাছের অভ্যন্তরীণ নস্ট্রিল (internal nostril) থাকে, যা তাদের বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে সাহায্য করে। 👃
- শক্তিশালী চোয়াল: এদের চোয়াল বেশ শক্তিশালী এবং দাঁতগুলো ধারালো। 🦷
- জীবনকাল: এদের জীবনকাল বেশ দীর্ঘ হয়ে থাকে। 👴
- উদাহরণ: লাংফিশ (Lungfish) এবং কোয়েলাকান্থ (Coelacanth)। 🐟
কেন জীবিত জীবাশ্ম বলা হয়? 🤔
সারকোপটেরিজিআইদের জীবিত জীবাশ্ম বলার কারণ:
- প্রাচীন বৈশিষ্ট্য: এই শ্রেণির মাছেরা প্রায় ৪০ কোটি বছর আগেকার ডেভোনিয়ান যুগের মাছের সাথে অনেক মিল বহন করে। ⏳
- বিবর্তনীয় ধারাবাহিকতা: এরা সেই সময়ের মাছ, যাদের থেকে মনে করা হয় স্থলজ মেরুদণ্ডী প্রাণীর উদ্ভব হয়েছে। 🐸➡️🐊➡️🦅
- বিলুপ্তির ধারণা ভুল প্রমাণ: কোয়েলাকান্থকে বিজ্ঞানীরা একসময় বিলুপ্ত মনে করতেন, কিন্তু ১৯৩৮ সালে জীবিত কোয়েলাকান্থের সন্ধান পাওয়া যায়। 😮
- ধীর বিবর্তন: এদের শারীরিক গঠনে খুব ধীর গতিতে পরিবর্তন দেখা যায়। 🐌
তুলনামূলক আলোচনা 📊
| বৈশিষ্ট্য | সারকোপটেরিজিআই | অন্যান্য মাছ |
|---|---|---|
| পাখনার গঠন | মাংসল ও লোব-যুক্ত | রশ্মি-যুক্ত পাখনা |
| নস্ট্রিল | অভ্যন্তরীণ নস্ট্রিল থাকতে পারে | সাধারণত থাকে না |
| বিবর্তন | স্থলজ প্রাণীর পূর্বপুরুষ | জলের পরিবেশের সাথে অভিযোজিত |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️
সারকোপটেরিজিআই মাছেরা আমাদের পৃথিবীর বিবর্তন এবং জীবনের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদের গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা স্থলজ মেরুদণ্ডী প্রাণীদের উৎপত্তি এবং তাদের অভিযোজন সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন। 🌍
আশা করি, এই আলোচনা থেকে সারকোপটেরিজিআই সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍
Option A Explanation:
- কনড্রিকথিস: কনড্রিকথিস হলো একটি প্রাচীন শ্রেণির মাছ যা জীবিত থাকাকালীন জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত।
- এটি সাধারণত পাথরে সংরক্ষিত হয় এবং এর শারীরিক গঠন থেকে প্রাচীন জলজ জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের তথ্য পাওয়া যায়।
- অতীতে, কনড্রিকথিস ছিল পৃথিবীর মূল পানির নিচের জলজ বাস্তুসংস্থানগুলির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এগুলি সাধারণত ডাইনোসর যুগের পূর্বে পৃথিবীতে দেখা যেত।
Option B Explanation:
- অসটিকথিস (Ostichthyes): এই শ্রেণির মাছগুলি সাধারণত "হাড়যুক্ত মাছ" বা "অস্টিচথিস" নামে পরিচিত। এই গোষ্ঠীর মাছের হাড়ের গঠন শক্তিশালী এবং তারা দেহের গঠন ও কার্যকারিতায় উন্নত। এই শ্রেণির মাছের মধ্যে বেশি প্রচলিত বিভিন্ন প্রকারের মাছ অন্তর্ভুক্ত, যেমন ট্রাউট, ক্যাটফিশ, সেলমন, ইত্যাদি।
- বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- হাড়ের গঠন: এই মাছের দেহের গঠন মূলত হাড় দ্বারা তৈরি।
- জীবনচক্র: সাধারণত জলজ জীবনযাপন করে এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য জলের মধ্যে নিশ্বাস গ্রহণ করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: তাদের পাখনা ও দেহের অন্যান্য অংশের গঠন উন্নত এবং কার্যকর।
- উপকারিতা: এই মাছগুলি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা খাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- অ্যাকটিনোপটেরিজিআই (Actinopterygii)
- এটি মাছের একটি শ্রেণি, যা সাধারণত "প্রতিস্পন্দন মাছ" বা "অঙ্কুরী মাছ" নামে পরিচিত।
- এরা মাছের সবচেয়ে বড় ও সাধারণ শ্রেণি, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের সি???ভার, গুল্ম মাছ ইত্যাদি।
- অ্যাকটিনোপটেরিজিআই এর মাছগুলির দেহ মূলত খাপখাই ও সরু, এবং এদের স্কেল সাধারণত ছোট আকারের।
- এরা সাধারণত জলজ পরিবেশে বাস করে এবং বিভিন্ন জলজ বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
- সারকোপটেরিজিআই (Sarcopterygii):
- এটি মাছের একটি শ্রেণি বা ক্লাস, যা মূলত লম্বা, শক্তিশালী পাখনা যুক্ত মাছের জন্য পরিচিত।
- এই শ্রেণির মাছগুলো সাধারণত জীবিত জীবাশ্ম হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ তাদের কিছু প্রাচীন প্রজাতি এখনও অস্তিত্বে রয়েছে।
- সারকোপটেরিজিআই এর মাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো লোশ্টার, সিলুরা, এবং কিছু প্রজাতির কংকালাকৃতি মাছ।
- এই মাছগুলো প্রাচীন সময়ে ভূমিতে হাঁটতে সক্ষম ছিল বলে বিবেচিত হয়, যা তাদের জীবাশ্মের গুরুত্ব বাড়ায়।