জাল টাকা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত?
রসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নতড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালি ও পারমানবিক বর্ণালি - রিডবার্গ সমীকরণ (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
B.
230-375 nm
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
জাল টাকা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য
জাল টাকা শনাক্ত করার জন্য সাধারণত যে আলো ব্যবহার করা হয়, তা হলো অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet Ray)।
এই অতিবেগুনী রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত 230-375 nm এর মধ্যে থাকে।😎
ব্যাখ্যা:
- জাল নোটগুলোতে বিশেষ ধরনের ফ্লুরোসেন্ট কালি ব্যবহার করা হয়।
- এই কালি সাধারণ আলোতে দৃশ্যমান নয়।
- যখন \(230-375 nm\) তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনী আলো এই কালির উপর পড়ে, তখন কালি দৃশ্যমান আলো নিঃসরণ করে। ✨
- এই কারণে জাল নোট সহজেই শনাক্ত করা যায়। 🧐
- বিভিন্ন দেশে জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হতে পারে, তবে \(230-375 nm\) একটি সাধারণ পরিসীমা। 👍