১৮৯৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গের মার্কসবাদী চরিত্রগুলোকে নিয়ে শ্রমিকশ্রেণির মুক্তির জন্য 'সংগ্রাম সংঘ' নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠনে ঐক্যবদ্ধ করেন। তার কাজকর্ম ক্রমশই বৃদ্ধি পায়। এই সময় থোর্নটোন কারখানায় শ্রমিকরা ধর্মঘট করে। তৎপর হয় জারের পুলিশ বাহিনী। লেলিনের সাথে সংগঠনের প্রায় সমস্ত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।
'যুগে যুগে আন্দোলনের রূপ এমনই'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'যে হিমালয়ে বাস করিতেন , সেই হিমালয়ের তিনি যেন মিতা। ' বাক্যটি -
- রেণু কে?
- বায়ান্নর দিনগুলো তে প্রদত্ত কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী কে ছিলেন?
- 'তোমাকে ডাবের পানি আমি খাইয়ে দিব।'- কার উক্তি-
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবন?? কে লিখেছেন?
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্ত বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করোছিন্ন, একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন। ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা, সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থে সংকলিত?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- “একদিন মরতেই হবে, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে ।” কার রচনায় এ উক্তি রয়েছে? ?
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- ’আহত’ বিশেষণ পদের বিশেষ্য রূপ-
- মুসলিম লীগ সরকারকে বঙ্গবন্ধু অপরিণামদর্শী বলার কারণ কী?
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীতে কোন সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উদ্দীপকের আলোকে পলাশি যুদ্ধে পরাজয়ের পরকে জনমত গঠনের মাধ্যমে প্রতিরোধের শেষ চেষ্টাকরেছিলেন?
- "The Unfinished Memories" গ্রন্থটি কার লেখা?
- "আমরা অনশন ভাঙব না" উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় লেখক কোন ভাষারীতি অবলম্বন করেছেন?