'রেইনকোট' গল্পে লেখক কোন ঋতুর কথা বলেছেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মন্তব্যটি কি যথার্থ? বিশ্লেষণ কর।
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।"উদ্দীপকের ভাবচেতনায় 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মত্যাগের ছবিই প্রমূর্ত হয়ে উঠেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না” “বায়ান্নরদিনগুলো' রচনায় কে দমাতে পারবে না?
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে।'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উল্লিখিত সাদৃশ্যপূর্ণস্লোগানগুলো হলো- রাজবন্দিদের মুক্তি চাই পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানাবাঙালিদের শোষণ করা চলবে নানিচের কোনটি সঠিক?
- মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান-
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে। উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চেতনাপ্রকাশ পেয়েছে?
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে "বায়ান্নর দিনগুলো" রচনার লেখকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধর।
- এই উদ্ধৃতাংশটুকু যে গদ্য হতে নেওয়া হয়েছে তার লেখক কে?
- বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে কারা অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর অনশনকরার কারণ—
- 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনায় ডেপুটি জেনারেল নাম কী?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় 'মানুষের যখন পতনআসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'— উক্তিটিরদ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- জীবনে আর দেখা নাও হতে পারে'- বঙ্গবন্ধুর এ কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'উপরের আদালতের হুকুমে' বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়েছে?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন?
- 'এভাবে মৃত্যুবরণ করে কী লাভ হবে?' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিতহয়েছে?
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?