'রেইনকোট' গল্পে লেখক কোন ঋতুর কথা বলেছেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তোমাকে ডাবের পানি আমি খাইয়ে দিব।'- কার উক্তি-
- আমার বিশ্ব ভ্রমণ কেবলি তোমার কাছে যাওয়াসকল নিসর্গ ছুঁয়ে তোমাকে খুঁজে পাওয়া।পৃথিবীর শেষপ্রান্তে গিয়ে দেখেছি তোমার মুখআরম্ভ বিন্দুতে দাঁড়ানো আমি সেই বিস্মিত, উজবুক।উদ্দীপকের বিশ্ব ভ্রমণের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনকে কীভাবে তুমি তুলনা করবে?
- 'বেশি জোরে চালাবেন না; কারণ, বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়'- উক্তিটিতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কীসের ভিত্তিতে সমগ্র জাতিকে অভিনব লক্ষ্যে একত্র করেন?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্যের অংশটুকু তুলে ধরো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হার্টের অবস্থা খারাপের জন্য কী হয়?
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'নিজের ছেলেও অনেক দিন না দেখলে ভুলে যায়।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- অনশনর??? অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ভাবনাবঙ্গবন্ধু চরিত্রের কোন দিকটিকে তুলে ধরে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান কাকে তাঁর সহকর্মীদের খবর দিতে বললেন?
- ওপরওয়ালাদের নির্দেশ বঙ্গবন্ধুকে নারায়ণগঞ্জেকোথায় রাখা হয়েছিল ?
- 'বায়ান্নর দিনগুলি' কোন ধরনের রচনা?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।"উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের সার্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটির সত্যতা পরীক্ষার করো।
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম কী?
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।উদ্দীপকে পুলিশের-আচরণ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার পুলিশের কোন আচরণকে নির্দেশ করে?
- বায়ান্নর দিনগুলো' রচনা অনুসারে শেখ মুজিবুর রহমান যখন জেলে যান তখন শেখ কামালের বয়স কত ছিল?
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের লেখক -
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে প্রধান ভূমিকা পালন করে-
- "তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীরশহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্রতুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।""স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালিদের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি কতটা সমর্থনযোগ্য? মতামত দাও।
- এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বহুকালের সংগ্রামী ইতিহাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিনগুলো আমাদের জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের আত্মমর্যাদার চেতনার বীজ পত্তন করেছে। এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- রেণু কে?
- জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদেরকাছে কী চাইলেন?
- জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কোনটি?
- 'মুসলিম লীগ সরকার কত বড়ো অপরিমাণমদর্শিতার কাজ করল।'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছিলেন?
- ভাষা আন্দোলনে ছাত্র -জনতার ওপর গুলিবর্ষণের জন্য দায়ী কে?
- 'লোকটি গরিব কিন্তু সৎ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- কোনটি সরল বাক্যের উদাহরণ?
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নাম দেন কে?
- "আমরা অনশন ভাঙব না" উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
- "বায়ান্নর দিনগুলো" কোন গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- 'গুরুজনে ভক্তি করো,' এখানে গুরুজনে কোন কারক?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে অনশন ভাঙান কে?
- "মাগো, ভাবনা কেন?আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলেতোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানিভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।