মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি মায়োসিসের ফলে ঘটে?

A.

জননাঙ্গ সৃষ্টি ও জনন কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি

B.

 গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা

C.

বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা

D.

ক্ষতস্থান পূরণ

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা

Explanation:

Another Explanation (5):

মায়োসিস: বংশগতিতে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখার প্রক্রিয়া 🧬

মায়োসিস একটি বিশেষ কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। এটি শুধুমাত্র জননকোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) তৈরীর সময় ঘটে। এর প্রধান কাজ হলো বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

মায়োসিসের মূল উদ্দেশ্য 🎯

  • জননকোষ (গ্যামেট) উৎপাদন
  • ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক কর???
  • বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা
  • বৈচিত্র্য সৃষ্টি ( crossing over এর মাধ্যমে)

কিভাবে মায়োসিস ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখে? 🤔

মানুষের প্রতিটি দেহকোষে ৪৬টি ক্রোমোসোম (২৩ জোড়া) থাকে। মায়োসিস প্রক্রিয়ায় জননকোষ তৈরির সময় এই সংখ্যা dime হয়ে যায়, অর্থাৎ ২৩টি হয়। যখন একটি শুক্রাণু (২৩টি ক্রোমোসোম) একটি ডিম্বাণুকে (২৩টি ক্রোমোসোম) নিষিক্ত করে, তখন জাইগোটের মধ্যে আবার ৪৬টি ক্রোমোসোম ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে প্রতিটি প্রজন্মে ক্রোমোসোম সংখ্যা একই থাকে।

বিষয়টি একটি টেবিলের সাহায্যে দেখানো হলো:

কোষের প্রকার ক্রোমোসোম সংখ্যা প্রক্রিয়া
দেহকোষ (ডিপ্লয়েড) ৪৬ (2n) মায়োসিস
শুক্রাণু (হ্যাপ্লয়েড) ২৩ (n) নিষেক
ডিম্বাণু (হ্যাপ্লয়েড) ২৩ (n) নিষেক
জাইগোট (ডিপ্লয়েড) ৪৬ (2n) মাইটোসিস

মায়োসিসের পর্যায়সমূহ ➿

  1. মায়োসিস-১: এখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা dime হয়ে যায়।
  2. মায়োসিস-২: এটি মাইটোসিসের মতো, যেখানে sister chromatid আলাদা হয়ে যায়।

মায়োসিস-১ এর অন্তর্ভুক্ত ধাপসমূহ:

  • প্রোফেজ ১: এই ধাপে crossing over ঘটে এবং ক্রোমোসোমের মধ্যে অংশের বিনিময় হয়।🧬🔄
  • মেটাফেজ ১: ক্রোমোসোমগুলো কোষের মাঝখানে সারিবদ্ধ হয়।
  • অ্যানাফেজ ১: হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলো আলাদা হয়ে যায়।
  • টেলোফেজ ১: দুটি নতুন কোষ তৈরি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা dime হয়ে যায়।

মায়োসিস-২ এর অন্তর্ভুক্ত ধাপসমূহ:

  • প্রোফেজ ২:
  • মেটাফেজ ২:
  • অ্যানাফেজ ২: Sister chromatid গুলো আলাদা হয়ে যায়।
  • টেলোফেজ ২: চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়।

মায়োসিসের গুরুত্ব 🌟

  • বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখা
  • প্রজাতির বৈশিষ্ট্য রক্ষা করা
  • বৈচিত্র্য সৃষ্টি করা, যা অভিযোজনে সাহায্য করে
  • ক্রমবিবর্তন এ সহায়তা করা

উপসংহার 🔚

মায়োসিস একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। এটি শুধুমাত্র ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখেনা, বরং জীবের মধ্যে variation বা প্রকরণ সৃষ্টি করে, যা জীবকে পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে। এই variation evolution বা বিবর্তনের পথ খুলে দেয়। 👍

Option A Explanation:
  • জননাঙ্গ সৃষ্টি: মায়োসিসের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য জননাঙ্গের গঠন হয়। এটি মূলত গাইনোফোর বা অণ্ডকোষের মতো অঙ্গের উন্নয়ন ঘটায়।
  • জনন কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি: মায়োসিসের ফলস্বরূপ, ডিম্বাশয় বা অণ্ডকোষের মতো জনন কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়ায় মূল কোষের থেকে চারটি নতুন কোষ তৈরি হয়, যা জনন কোষ হিসেবে কাজ করে।
Option B Explanation:
  • গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা: এটি মূলত মায়োসিসের ফলাফল নয়। বরং, এটি মূলত মাইটোসিসের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
  • মায়োসিসের মাধ্যমে মূলত জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়, তবে গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলো সাধারণত স্থিতিশীল থাকুক বা অপরিবর্তিত থাকুক, এটি মাইটোসিসের মাধ্যমে বজায় থাকে।
  • অর্থাৎ, গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা মানে জেনেটিক উপাদানের মূল গুণাবলী অপরিবর্তিত থাকুক, যা মাইটোসিসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জীবের সমস্ত কোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা একই থাকে।
  • এটি اہم কারণ হলো জীবনধারার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
  • উদাহরণস্বরূপ, মানবদেহের সমস্ত কোষে সাধারণত 46 ক্রোমোসোম থাকে, যা ধ্রুব থাকে।
  • এই প্রক্রিয়াটি মূলত মায়োসিসের মাধ্যমে ঘটে।
  • মায়োসিসের মাধ্যমে গাণিতিকভাবে ক্রোমোসোমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়, কিন্তু পুনরায় বিভাজনের ফলে বারবার এই সংখ্যা ধ্রুব থাকে।
Option D Explanation:
  • ক্ষতস্থান পূরণ: এটি শরীরের ক্ষত বা চোটের ফলে ক্ষতস্থানে নতুন কোষের সৃষ্টি ও পৃষ্ঠের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া।
  • প্রক্রিয়াটিতে সাধারণত মায়োসি বা মায়োসিস প্রয়োজন হয় না, কারণ এটি মূলত স্নেহকোষ বা স্পর্শকোষ দ্বারা সম্পন্ন হয়।
  • তবে, ক্ষতস্থানে নতুন কোষের সৃষ্টি ও টিস্যুর পুনর্গঠনের জন্য সাধারণত মায়োসিসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না, বরং মাইটোসিস বা সাধারণ কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ গঠিত হয়।