'সোনার তরী' কবিতার ছন্দ-
A. অক্ষরবৃত্ত
B. স্বরবৃত্ত
C. মাত্রাবৃত্ত
D. পয়ার
সঠিক উত্তরঃ
C.
মাত্রাবৃত্ত
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।সম্রাট শাহজাহানের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন্তা-চেতনার মিল দেখাও।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর কাব্যগ??রন্থ নয়?
- একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়শরীর, মন ও বুদ্ধি।থেমে যায় বুদ্ধিকেউ আর রাখে না মনে তায়।যৌবন থেকে মৃত্যু-অনেক সফল কাজ,কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'কাজগুলো' 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কীসের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবির যে জীবনদর্শনের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা আলোচনা করো।
- ”চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।” ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন কবি মাইকেল মধূসুদন দত্ত। অমিত্রাক্ষরের ছন্দ ব্যবহার করে তিনি বাংলা কবিতাকে মুক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে।উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার সাদৃশ্যসূত্র চিহ্নিত করো।।
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কবিচেতনার আংশিক প্রতিফলন মাত্র- বিশ্লেষণ কর।
- 'একখানি' ছোট খেত, আমি একেলা।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- বুদ্ধদেব বসু বাংলা ভাষার কোন কবিকে “নির্জনতম” কবি বলেছেন?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?'
- “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।” এই লাইনগুলো যেই কবিতার অংশ, সেই কবিতাটি কে লিখেছেন ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কোথায় বসে লেখা?
- অলখের পাথার বাহিয়া/তরী তার এসেছে কি?-কার তরী?
- জয়নুল আবেদিন একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তাঁর তুলির আঁচড়ে প্রতিফলিত বিভিন্ন বিষয় মানুষকে আজও সমানভাবে আলোড়িত করে।উক্ত সাদৃশ্যের প্রেক্ষিতে বলা যায়-
- 'আমি একেলা'- এখানে আমি কে?
- সোনার ধান কীসের প্রতীক?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের পদরচয়িতাগণ এবং 'সোনার তরী' কবিতার কৃষক যেন একই নিয়তির শিকার।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- জীবনকে বয়সের সীমারেখা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। কবি সুকান্ত 'সোনার তরী' কবিতার অধিকাংশ পঙক্তি কত মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- এখন আমারে লহো করুণা করে'- চরণটিতে কৃষকের কী অভিলাষ ব্যস্ত হয়েছে?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাকা জল' বলতে কীবোঝানো হয়েছে?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসী-মাখা।' এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে -
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত? যুক্তি দেখাও।
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদক কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- 'তরী তার এসেছে কি?' তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়'তরী' কীসের প্রতীক?
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- বাঁকা জল কীসের প্রতীক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী শিরােনাম কী?