ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
A. কৃষ্ণচূড়া ফুল
B. নক্ষত্র
C. রৌদ্র
D. রক্ত
সঠিক উত্তরঃ
B.
নক্ষত্র
Explanation:
সালামের চোখ আজ আলোকিত ঢাকা,
সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা।
দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই জনসাধারণ
দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো
ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা
আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে
এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে
ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে
হৃদয়ের হরি উপত্যকায়। সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,
শ??হরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায়।
Related Questions (Any University/Year)
- কুটির শিল্প ধ্বংসের মধ্য দিয়ে আমার কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি ?
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়। উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'কবিতার বৈসাদৃশ্য হলো-শব্দ প্রয়োগেছন্দ ব্যবহারেচিত্রকল্প ব্যবহারেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'যত গর্জে তত বর্ষে না' এ বাক্যে কোন ধরনের যোজক ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কবি তাঁর স্বপ্নকে কোথায় রেখেছেন?
- 'মরন বিলাস' কার রচনা?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে?
- 'কখনো আমার মা-কে’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
- "আত্মতত্ত্ব বিচার কর দেখি ওরে মন-পাখীতুমি কি পড়ে পণ্ডিত হয়েছ, তোমার স্বরবর্ণ আছে বাকিআত্মতত্ত্ব স্বরবর্ণ, সে তো নয় রে সামান্য,পরতত্ত্ব ব্যঞ্জনবর্ণ ফলাতে গণ্য,সে যে স্বর ভিন্ন নয়,স্বর হতে হয় দুয়েতে মাখামাখি।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় চরণের ভাবনার সঙ্গে 'ঐকতান' কবিতার মিল দেখাও।
- ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্হের কবি কে?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি নিজেরপরিচয় জ্ঞাপন করেছেন-
- 'কবর' কবিতায় দাদুর শশুর বাড়ি কোন গায়ে?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- ’হৈমন্তী’ গল্পে প্রধানত কোন সমস্যাকে তুলে ধরা হয়েছে?
- সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষাদেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা। 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ ও উদ্দীপক উভয় স্থানে ফুটেউঠেছে চাষার—
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।উদ্দীপকের খালেদ ও অর্জুনের বর্ণনা পাঠ্যপুস্তকের 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন কোন প্রসঙ্গের কথা মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- আমার পূর্ব বাংলা' কবিতার রচয়িতা কে?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোননদীর প্রেম চেয়েছেন ?
- আমরা হিরোশিমা-নাগাসাকির ব্যথিত আত্মাআমরা শান্তি চাই।আমরা ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশেরস্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদআমরা শান্তি চাই ।উদ্দীপকের কোন কোন অনুষঙ্গ ‘সেই অস্ত্র' কবিতায়ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৃথিবীকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
- 'সাত ভায়া' গ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন রচনায়?
- "একটি ফটোগ্রাফ" কবিতার প্রথম স্তবকটি?
- “কেন এ পণ্ডশ্র???, মগজে হানিছ শূল।” – কবি কেনএমন উক্তি করেছেন?
- 'সে তো প্রাপ্তি নয়, আত্মবিসর্জন।' উক্তিটি কোন রচনাভূক্ত?
- ” স্বর্ণশ্যাম বুক ছিঁড়ে/অস্ত্র হাতে নামে সাস্ত্রী কাপুরুষ,” কাদের কথা বলা হল?
- 'কেন সখি কোণে কাদিঁছ বসিয়া'? --- জরণটি তোন রজনায় পাওয়া যায়?
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতায় কবি নিজেকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
- ছাত্র: বৃক্ষ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?শিক্ষক: বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও শিক্ষক। মাটি ফুঁড়েনিজের জন্ম থেকে ফুলে-ফলে বিকশিত হওয়া পর্যন্ত সেমানুষকে শিক্ষা দিয়ে থাকে। উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের নিচের কোন চরণটিরঅধিকতর মিল পাওয়া যায়?
- আবুল মনসুর আহমেদের ‘আয়না’ কোন ধরণের রচনা?
- 'তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্ট' কোন রচনার অংশ?
- "একাত্তরের যীশু' গল্পটির রচয়িতা কে?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসেকে উড়ে যায়?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের আজিজের পরোপকারের মাঝে 'বিড়াল' রচনায় প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- স্কুলশিক্ষক আবির জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজেকে যেমনসমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি আলোকিত করেছেন শিক্ষার্থীদের।উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে 'জীবন ও বৃক্ষপ্রবন্ধের কোন ভূমিকায়?
- অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যুসন কোনটি?
- ‘স্বরূপের সন্ধানে' গ্রন্থটির রচয়িতা-
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- সহস্র প্রাণ ক্ষত-বিক্ষত হয়—
- বিড়াল প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
- 'সংশয়ে দুলে দুলে কাঁটাটি ডানদিকে হেলে থেকে যায়।' বাক্যটি কোন রচনা অন্তর্গত ?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।