কোন প্রযুক্তিতে ইনসুলিন তৈরি করা হয়?
CUUnit-ASet-4জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Recombinant DNA technology
Explanation:

Another Explanation (5):
ইনসুলিন উৎপাদনে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি 🧬
রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ (rDNA) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনসুলিন তৈরি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে, মানব ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিনকে ব্যাকটেরিয়া বা ঈস্টের মতো অণুজীবের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। এর ফলে, অণুজীবগুলো মানব ইনসুলিনের হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে।
প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ:
- ইনসুলিন জিন সনাক্তকরণ ও পৃথকীকরণ: প্রথমে, মানবকোষ থেকে ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিনটিকে খুঁজে বের করা হয় এবং বিশেষ এনজাইম (Restriction enzyme) ব্যবহার করে আলাদা করা হয়। ✂️
- ভেক্টর (Vector) নির্বাচন: একটি ভেক্টর (প্লাজমিড বা ভাইরাস) নির্বাচন করা হয়, যা ইনসুলিন জিনকে বহন করতে পারবে। 🚚
- জিন সংযোজন: ইনসুলিন জিনকে ভেক্টরের সাথে লাইগেজ (Ligase) নামক এনজাইম ব্যবহার করে জোড়া লাগানো হয়। 🔗
- কোষে প্রবেশ করানো: রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ (ভেক্টর + ইনসুলিন জিন) ব্যাকটেরিয়া বা ঈস্ট কোষে প্রবেশ করানো হয়। 🦠➡️📦
- ইনসুলিন উৎপাদন: ব্যাকটেরিয়া বা ঈস্ট কোষগুলো ইনসুলিন উৎপাদন করতে শুরু করে। 🏭
- পরিশোধন ও প্রক্রিয়াকরণ: উৎপাদিত ইনসুলিনকে পরিশোধন করা হয় এবং ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়। 🧪➡️💉
এই প্রযুক্তির সুবিধা: ✅
- বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন সম্ভব। 🏭
- কম খরচে উৎপাদন করা যায়। 💰
- মানবদেহের জন্য নিরাপদ ইনসুলিন তৈরি করা যায়। 👍
- প্রাণীজ ইনসুলিনের তুলনায় অ্যালার্জির ঝুঁকি কম। 😌
টেবিল: রিকম্বিন্যান্ট ইনসুলিন এবং প্রথাগত ইনসুলিনের তুলনা
| বৈশিষ্ট্য | রিকম্বিন্যান্ট ইনসুলিন | প্রথাগত ইনসুলিন (প্রাণীজ) |
|---|---|---|
| উৎপাদন উৎস | ব্যাকটেরিয়া/ঈস্ট | শুয়োর/গরু |
| বিশুদ্ধতা | অত্যধিক বিশুদ্ধ | কম বিশুদ্ধ |
| অ্যালার্জির ঝুঁকি | খুব কম | তুলনামূলকভাবে বেশি |
| উৎপাদন ক্ষমতা | অধিক | কম |
এই প্রযুক্তি ডায়াবেটিস রোগীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। 🥰
Option A Explanation:
Tissue Culture ব্যাখ্যা
Tissue Culture এর ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: টিস্যু কালচার হলো একটি প্রযুক্তি যেখানে একটি উদ্ভিদের ক্ষুদ্র অংশ বা টিস্যু lab-এ নির্দিষ্ট পরিবেশে বৃদ্ধি করা হয়।
- প্রক্রিয়া: এর মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র কোষ বা টিস্যু থেকে নতুন উদ্ভিদ গড়ে তোলা হয়।
- উপকারিতা: এটি দ্রুত উদ্ভিদ উৎপাদন, নতুন জাতের সৃষ্টি, রোগমুক্ত উদ্ভিদ তৈরি এবং সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- প্রয়োজনীয় উপাদান: সঠিক পুষ্টি সমৃদ্ধ জৈবিক দ্রব্য, নিয়ন্ত্রণযুক্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা, এবং নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান।
- অর্জন: এটি গবেষণাগারে উদ্ভিদ টিস্যুর সংখ্যাবৃদ্ধি এবং দ্রুত উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক।
Option B Explanation:
- Embryo Culture: এই প্রক্রিয়ায় জীবের উত্পন্নের জন্য ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু উপযুক্ত পরিবেশে বৃদ্ধি পায়। এটি মূলত: জৈবিক বিকাশে সহায়ক এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- উপকারিতা: এটি জৈবপ্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন অনুবংশ, জেনেটিক গবেষণা এবং ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
- উপকরণ: এটি করতে বিশেষভাবে তৈরি পরিবেশ যেমন কন্টেইনার, সঠিক তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন হয়।
- ব্যবহার: এই প্রযুক্তি দ্বারা জীবের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্কুর বৃদ্ধি করা যায়, যা গবেষণা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- Recombinant DNA technology হল একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন উৎসের ডিএনএ উপাদানকে একত্রিত করে নতুন জেনেটিক উপাদান তৈরি করা হয়।
- এটি জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন প্রজাতির জৈব উপাদান তৈরি ও পরিবর্তনের জন্য।
- প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয় ওষুধ তৈরিতে, যেমন ইনসুলিন, হরমোন, ভ্যাকসিন ইত্যাদি।
- এটি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট জেনেটিক উপাদানকে পুনরায় ডিজাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, মানব ইনসুলিনের জিনকে ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ-তে ইনসার্ট করে উৎপাদন করা হয়।
Option D Explanation:
Nanotechnology
- ন্যানোপ্রযুক্তি বা ন্যানোটেকনোলজি হলো একটি আধুনিক প্রযুক্তি যা ন্যানোস্কেলে (প্রায় 1 থেকে 100 ন্যানোমিটার) উপাদান বা উপাদানসমূহের গঠন, বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার নিয়ে কাজ করে।
- এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমনঃ ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, শক্তি সংরক্ষণ, পরিবহন, এবং পরিবেশ সুরক্ষা।
- ন্যানোটেকনোলজির মাধ্যমে খুবই ক্ষুদ্র স্তরে উপাদান তৈরি বা পরিবর্তন করা সম্ভব, যা নতুন নতুন প্রযুক্তিগত সুবিধা এনে দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, ওষুধের ডেলিভারি সিস্টেমে ন্যানোঅ্যাজেন্ট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানে ওষুধ পৌঁছানো যায়, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।